খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া কুমারখালী নন্দলালপুর ইউনিয়নের সোনদাহ গ্রামে মাঠের প্রায় ৩ একর ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। সোনদাহ গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে মুন্সি রেজাউল ইসলাম মিঠু ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গাছে, উজ্জ্বল ভৌমিক ও মিঠু মুন্সি মধ্যে ফসলি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান। বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষ থেকে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। জমিসংক্রান্ত জেরে উভয়ের মধ্যে বিবাদ লেগেই থাকে বলে জানান স্থানীয় লোকজন। জানা যায়, উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের সোনদাহ মৌজায় এস, এ, খতিয়ান -১১০১,০২,০৩,০৪,০৫, ১৪ ও ১৬ নং দাগের জমিতে আদালতের মামলা চলাকালে। গতকাল রবিবার (৪ ফেব্র“য়ারি) সকালে জোর পূর্বক ফসলি জমি দখল করে মিঠু মুন্সি ও তার লোকজন। এই সময় জমিতে লাগানো ধানের চারা ভেঙ্গে জমি দখল করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আরো জানা যায়, মৃত দিপ্তী ভৌমিক মৃত্যু পর তার পরিবারের লোকজন প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যায় এলাকা থেকে। সেই সুযোগে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জন’ ভৌমিক পরিবারের জমি জমা নিজেদের নামে করে নেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, ভৌমিক পরিবারের অনেক জমি জায়গা ছিল। সেই সব সম্পত্তি সেই সময় থেকে বেহাত হতে থাকে। ২০১২ সাল থেকে দিপ্তী ভৌমিক এর ছেলে উজ্জ্বল ভৌমিক তাদের সম্পত্তি ফিরে পেতে আইনের আশ্রয় নিলে বেশ কিছু জায়গা সে ফিরে পায়। এখনো অনেক জায়গায় প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় বিবাদ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত বিষয়টি দ্রুত সমাধান করে দেওয়া। শ্রী উজ্জ্বল ভৌমিক বলেন, আমার পিতা দিপ্তী চন্দ্র ভৌমিক কে হত্যা করা হলে। আমাদের জায়গা জমি দখল করা হয়, এর মধ্যে সোনদাহ গ্রামে বেশ কিছু জায়গা মিঠু মুন্সির বাবা সিরাজুল ইসলাম দখল করে। দখলকৃত সম্পত্তি ফেরত চাইলে তারা আমার সঙ্গে তাল বাহানা শুরু করে। আমাদের সম্পতি কাগজপত্র ঠিক থাকায় জমিতে ধানের চারা রোপণ করি। রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিঠু মুন্সি ও তার লোকজন আমার জমি জোর পূর্বক দখল করে ধানের চারা রোপণ করেছে। আমাদের এখন বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এই বিষয়ে আমি প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এই বিষয়ে মিঠু মুন্সি বলেন, ১৯৬৫ সাল থেকে আমরা জমির মালিক। এই জমি নিলামে কেনা সম্পতি তাদের কাগজপত্র থাকলে আনুক আমরা জমি ছেড়ে দিব। জমির রেকর্ড পত্র আমাদের নামে। জোড় করে উজ্জ্বল ভৌমিক দখল করেছিল। আমাদের জমি আমরা ধানের চারা রোপণ করেছি। নন্দলালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউল রহমান খোকন বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু শুনিনি এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে বিষয়টি পরে জানাবো। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বলেন, এই বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।