খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক: শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত মুসলিমদের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত। লাইলাতুল নিফসি মিন শাবান নামের এই রাতকেই আমরা শবে বরাত বলে থাকি। এই রাতে মহান আল্লাহ গুনাহগারদের ক্ষমা পাওয়ার সুজগ করে দিয়েছেন।
ফজিলতময় এই রাতে তাহাজ্জুদ, জিকির-আজকার, কোরআন তিলাওয়াতসহ বিভিন্ন নফল ইবাদত করার কথা বলেন আলেমগণ।
শবে বরাত নিয়ে রয়েছে নানা প্রান্তিকতা। কেউ এ রাতকে সম্পূর্ণ অস্বিকার করেন আবার কেউ কেউ এ রাতকে শবে কদরের চেয়েও মর্যাদা দেন। বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন শবে বরাত রাতে নির্ধারন করা হয় ভাগ্য।পরবর্তী বছরের হায়াত-মউত ও রিজিক ইত্যাদির লেখা হয় এই রাতে। আলেমদের মতে ,এ অর্থে বর্ণিত হাদিসগুলো অত্যন্ত দুর্বল অথবা বানোয়াট।
এ নিয়ে সহীহ কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি। বরং হাদিসে এসেছে, মুআজ ইবনে জাবাল রা: থেকে বর্ণিত, নবী করিম সা: বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা অর্ধশাবানের রাতে (শবে বরাত) মাখলুকাতের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’ (ইবনে হিব্বান : ৫৬৬৫, ইবনে মাজাহ: ১৩৯০ ও মুসনাদে আহমদ : ৪/১৭৬)
শুধু তাই নয়; শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানীও (রহ.) সিলসিলাতুল আহাদিসিস সাহিহা গ্রন্থে এই হাদিসের সমর্থনে আরও আটটি হাদিস উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, এসব বর্ণনার মাধ্যমে সমষ্টিগতভাবে এই হাদিসটি নিঃসন্দেহে সহি প্রমাণিত হয়।
নিঃসন্দেহে ‘শবে বরাত’ তথা শাবানের মধ্যরজনী একটি বরকতপূর্ণ রজনী যে রাতে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের গোনাহ মাফ করেন। তবে এটি ভাগ্যনির্ধারনের রাত নয় ।
খবরওয়ালা/এফএস
মন্তব্য