খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ই আগস্ট ২০২৬, ৩:৩০ পিএম
ঢাকার কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ)। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার তারানগর ইউনিয়নের সিরাজনগর মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযানটি চালানো হয়। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা ডিবি দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার আব্দুল আওয়াল ঝন্টু (৪৫), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আমির হোসেন রনি (৪০), মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সেলিম ভান্ডারী (৪২), কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার মান্নান (৪২) এবং মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার এজাজ (৪০)।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম খানের সহযোগিতায় মাদকবিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি দক্ষিণের একটি দল সোমবার রাত আনুমানিক ১০টা ৩৫ মিনিটে সিরাজনগর মধ্যপাড়া এলাকায় জাকির হোসেনের মার্কেটের সামনে পাকা সড়কে অবস্থান নেয়। সেখানে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করে ৭০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই পাঁচজনকে আটক করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো মাদকদ্রব্য হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
ঢাকা জেলা ডিবি দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোর একটি হওয়ায় এ এলাকায় বিভিন্ন সময় মাদক পরিবহন ও কেনাবেচা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে থাকে। তবে এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কীভাবে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন, কোথায় নেওয়া হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলার তদন্তে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার উৎস, সম্ভাব্য সরবরাহকারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য যাচাই করা হবে। আদালতে রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এ-সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করবে তদন্তকারী সংস্থা।
মন্তব্য