ঢাকার নবাবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সেলিম, ৪২, ও মো. শান্ত ইসলাম, ২৮। পুলিশের দাবি, তাঁদের কাছ থেকে মোট ৮০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের একটি দল বুধবার রাতে নবাবগঞ্জ ও দোহার থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিচালিত ওই অভিযানের এক পর্যায়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার কোমরগঞ্জ বাজার এলাকায় সেলিম ও শান্ত ইসলামকে আটক করা হয়।
অভিযানের সময় সেলিমের কাছ থেকে ৩০টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং শান্ত ইসলামের কাছ থেকে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়।
গ্রেপ্তার সেলিম নবাবগঞ্জ উপজেলার বাহ্রা চরকান্দি গ্রামের মো. নাসিরের ছেলে। অন্যদিকে শান্ত ইসলাম একই উপজেলার রামনাথপুর গ্রামের সারু হোসেনের ছেলে। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখার দক্ষিণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকদ্রব্যের বিস্তার ঠেকাতে ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ মাদক পরিবহন, বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নবাবগঞ্জ ও দোহার এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও বাজারকে কেন্দ্র করে পরিচালিত এমন অভিযানে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, মাদকের বিস্তার রোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তাঁরা অভিযোগের আসামি হিসেবে বিবেচিত হবেন।



