নিহত দুই কিশোরীর বয়স ১৮ বছরের নিচে। তাঁদের মধ্যে একজনের নাম মুক্তা বলে জানা গেছে। অন্য কিশোরীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ায় সেটি আটক করা সম্ভব হয়নি।
মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জনি গণমাধ্যমকে জানান, দুই কিশোরী একসঙ্গে রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাঁদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। অন্য কিশোরী তখনও জীবিত ছিল এবং নিজের নাম মুক্তা বলে জানায়।
পরে পুলিশ গুরুতর আহত মুক্তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় নিহত দুই কিশোরীর মরদেহ বর্তমানে ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের শনাক্ত করা এবং দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি খুঁজে বের করা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাকটির নম্বর, চালকের পরিচয় কিংবা দুর্ঘটনার পর সেটি কোন পথে চলে গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভোরের দিকে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চলাচল তুলনামূলক কম থাকলেও এ সময় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো পথচারীদের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বড় সড়কের মোড় ও ফুটওভারব্রিজসংলগ্ন এলাকায় পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করা জরুরি।
শ্যামলীর এই দুর্ঘটনায় দুই কিশোরীর মৃত্যু রাজধানীর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আবারও উদ্বেগ তৈরি করেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর জন্য দায়ী চালককে শনাক্ত করতে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। ট্রাকটি শনাক্ত করা গেলে দুর্ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত দুই কিশোরীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি শনাক্ত করার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।


