প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর দ্রুত দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। উদ্ধারকর্মীরা সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ধোঁয়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ ঘটনায় উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভবনটিতে কী কারণে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিমানবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন আগুন লাগার খবর অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগেনি; সেখানে শুধু ধোঁয়া দেখা দিয়েছিল। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুন লাগার খবর এবং বিমানবন্দর কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় ঘটনাটির প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে। ধোঁয়ার উৎস কী ছিল, ভবনের ভেতরে কোনো বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিমানবন্দরের বিভিন্ন ভবনে সংরক্ষিত মালামাল, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ঘটনায় বিমান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেছিল কি না, স্টোর বিল্ডিংয়ের ভেতরে থাকা মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, কিংবা ধোঁয়া তৈরির কারণ অনুসন্ধানে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।


