সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তাসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহে ১৩ হাজার ৯০৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ। ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, দেশটির প্রচলিত আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তাসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনকারীদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন এলাকায় একযোগে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ১৩ হাজার ৯০৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কোন ধরনের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কতজনকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সৌদি আরবে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বিদেশি কর্মীর জন্য আবাসন ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত বিধিবিধান মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটিতে বৈধভাবে বসবাস এবং কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট অনুমতিপত্র ও প্রয়োজনীয় নথিপত্রের বৈধতা বজায় রাখতে হয়। এসব শর্ত লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রবাসীদের আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তাসংক্রান্ত আইন যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ আবাসন এবং কর্মসংস্থানসংক্রান্ত কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা ও সংশ্লিষ্ট নিয়মকানুন সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সৌদি আরবে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করা, প্রয়োজনীয় অনুমতি বজায় রাখা এবং বসবাসের বৈধতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে যাঁদের আবাসন বা কর্মসংস্থানসংক্রান্ত নথিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার কাছাকাছি, তাঁদের সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ ধরনের অভিযান প্রবাসীদের জন্য দেশটির অভিবাসন ও শ্রম আইন সম্পর্কে সচেতন থাকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নিজেদের কাগজপত্রের বৈধতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সবাইকে প্রবাসী হিসেবে চিহ্নিত করার মতো বিস্তারিত তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জাতীয়তাভিত্তিক পরিচয়, পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।


