কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে সরকার ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস। প্রতিবছর ৭ নভেম্বর দিবসটি পালিত হয়। এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে। এবারও ছুটির কারণে ব্যাংকিং খাতে স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
ব্যাংক বন্ধ থাকায় গ্রাহকেরা ওই দিন শাখায় গিয়ে টাকা জমা দেওয়া, নগদ অর্থ উত্তোলন, চেকের মাধ্যমে লেনদেন এবং অন্যান্য সরাসরি ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবেন না। যাঁদের জরুরি আর্থিক লেনদেন, চেক জমা দেওয়া কিংবা ব্যাংকের শাখায় উপস্থিত হয়ে কোনো কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজন রয়েছে, তাঁদের ছুটির আগেই সেসব কাজ শেষ করার প্রস্তুতি নেওয়া ভালো।
তবে শাখাভিত্তিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বিকল্প মাধ্যমে কিছু ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যেতে পারে। এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন, কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটা এবং মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবা সাধারণত চালু থাকে। তবে এসব সেবার প্রাপ্যতা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও নির্ধারিত কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে। তাই জরুরি লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের নিজ নিজ ব্যাংকের নির্দেশনা জেনে নেওয়া উচিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নির্দেশনার ফলে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য একই দিনে ছুটি কার্যকর হবে। ব্যাংক বন্ধ থাকলেও গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য আগাম পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
৭ নভেম্বরের ছুটি শেষে পরবর্তী নির্ধারিত কর্মদিবসে ব্যাংকগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার কথা। তবে ছুটির আগে বা পরে কোনো বিশেষ নির্দেশনা জারি হলে গ্রাহকদের সে অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।


