মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডির ১০/এ নম্বর সড়কের ২৭ নম্বর বাসায় আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। খবর পাওয়ার পরপরই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিসের মোহাম্মদপুর স্টেশনের দুটি ইউনিট বিকেল ৩টা ৪২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় ৩৬ মিনিটের চেষ্টায় বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় পলাশী ফায়ার স্টেশন থেকেও আরও দুটি ইউনিট পাঠানো হয়েছিল। তবে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো দুটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় অতিরিক্ত ইউনিটগুলোর আর প্রয়োজন হয়নি। পরে সেগুলো ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট কাজ করেছে। সহায়তার জন্য পলাশী স্টেশন থেকে পাঠানো আরও দুটি ইউনিট প্রয়োজন না হওয়ায় ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
ঘটনার পর ভবনটির বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে বাসাটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর আবাসিক ভবনগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে এ ঘটনা। বিশেষ করে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া, জরুরি বহির্গমন পথ সচল রাখা এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম কার্যকর অবস্থায় রাখার গুরুত্ব রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো যায়।
ধানমন্ডির এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।


