গাজার মানবিক সংকট মোকাবেলায় একটি যৌথ ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। রবিবার (২৭ জুলাই) এই দুটি দেশ ২৫ টন খাদ্য সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সরবরাহ গাজায় পৌঁছে দিয়েছে।জর্ডানীয় ও আমিরাতি বিমান বাহিনীর সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যা গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে সহায়তা পাঠানো নিশ্চিত করে।
এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে যুদ্ধের প্রভাবে বিপর্যস্ত অঞ্চলের মানুষদের জন্য সাময়িক স্বস্তি প্রদান করা হয়েছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলি আরও ত্বরিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে।
জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টিভি জানিয়েছে, রয়্যাল জর্ডানিয়ান বিমান বাহিনী গাজায় ২৫ টন খাদ্য সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সরবরাহ পাঠাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে যৌথভাবে একটি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই কার্যক্রমটি আজ রবিবার (২৭ জুলাই) সম্পন্ন হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি জর্ডানিয়ান সি-১৩০ বিমান এবং একটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ ফেলেছে। জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টিভি আরও জানিয়েছে, এই সহায়তা বিতরণের মাধ্যমে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জর্ডানির উড়োজাহাজ থেকে পাঠানো সহায়তার মোট সংখ্যা ১২৭টি পৌঁছেছে।
এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টার্ক বিশ্ব সম্প্রদায়কে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “প্রতিদিন আমরা আরও ধ্বংস, হত্যা এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর অমানবিকতার দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। তাদের জন্য খাদ্য ও জীবন রক্ষাকারী উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং এ ব্যাপারে সব দেশকেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
আগামীকাল সোমবার (২৮ জুলাই) নিউইয়র্কে ফিলিস্তিন বিষয়ক সম্মেলনের পূর্বে এক ভিডিও বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
খবরওয়ালা/আরডি



