খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ই অক্টোবর ২০২৫, ২:৪৬ এএম
রাশিয়ার ভেতরের দূরপাল্লার জ্বালানি অবকাঠামো সম্পর্কিত নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ইউক্রেনকে সরবরাহ করার ঘোষনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ।
তেল শোধনাগার, পাইপলাইন ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে রাশিয়ার তেল-গ্যাস রপ্তানি নির্ভর অর্থনীতিকে দুর্বল করাই এর উদ্দেশ্য।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে এটি বড় ধরনের পরিবর্তন। আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে তথ্য দিয়ে আসছে, তবে এবার তা আরও নির্দিষ্ট আকারে হবে। পাশাপাশি ওয়াশিংটন ন্যাটো মিত্রদেরও একই ধরনের সহায়তা দিতে বলেছে। ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর চাপ দিচ্ছেন, যেন তারা রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে।
অন্যদিকে ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার পাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র চাইছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেন সহজেই রাশিয়ার অভ্যন্তরে বড় শহরগুলোতে আঘাত হানতে পারবে। ইউক্রেন নিজেও ফ্ল্যামিঙ্গো নামের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি শুরু করেছে, যদিও সংখ্যা খুব সীমিত।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন,“রাশিয়ার অর্থনৈতিক দুর্দশা দেখে মনে করি, ইউক্রেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় তাদের দখলকৃত এলাকা ফেরত পেতে সক্ষম।” তবে রুশ কূটনীতিকরা বলছেন, যুদ্ধের দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ মন্তব্য করেছেন, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র পেলেও যুদ্ধক্ষেত্রে বিশেষ পরিবর্তন আসবে না। এদিকে জি৭ অর্থমন্ত্রীদের ঘোষণা, রাশিয়ার তেল কেনা বা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বিক্রির সঙ্গে জড়িত দেশগুলোর ওপর সমন্বিত চাপ বাড়ানো হবে।
খবরওয়ালা/আশ
মন্তব্য