খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা গত শনিবার ক্যাম্পাসে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩টি বিভাগের ১,৩০৯টি আসনের জন্য এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৯,০৫১ জন শিক্ষার্থী, যা ভর্তি অংশগ্রহণের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ। নির্বাচিত এবং অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের মেধাক্রমসহ চূড়ান্ত ফলাফলের তালিকা আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
বুয়েটের দুটি মডিউলে ভাগ করা ভর্তি পরীক্ষা সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত সম্পন্ন হয়। মডিউল এ-তে প্রকৌশলবিষয়ক বিভিন্ন বিভাগ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপের শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। অন্যদিকে মডিউল বি-তে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের মুক্তহস্ত অঙ্কন ও দৃষ্টিগত-স্থানিক দক্ষতা পরীক্ষা নেওয়া হয়।
বুয়েটের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, সঠিকভাবে আবেদন করা ১০,৩৫১ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ছাত্র ৭,৬৪৪ জন এবং ছাত্রী ২,৭০৭ জন।
| অনুষদ / বিভাগ | পরীক্ষার্থী সংখ্যা | আসনের সংখ্যা | সংরক্ষিত আসন |
|---|---|---|---|
| কেমিক্যাল অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস কৌশল | – | – | ১ |
| পুরকৌশল | – | – | ১ |
| যন্ত্রকৌশল | – | – | ১ |
| তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল | – | – | ১ |
| স্থাপত্য ও পরিকল্পনা | – | – | ১ |
| নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা | – | – | ২ |
| অন্যান্য প্রকৌশল বিভাগ | – | – | ২ |
| মোট | ৯,০৫১ | ১,৩০৯ | ৩+১ = ৪ সংরক্ষিত আসন |
বুয়েটের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রার্থীদের জন্য ৩টি সংরক্ষিত আসন প্রকৌশল ও নগর পরিকল্পনা বিভাগে এবং ১টি সংরক্ষিত আসন স্থাপত্য বিভাগের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও অংশগ্রহণের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত মেধাক্রমসহ নামের তালিকা ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে। ফলাফলের পর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
বুয়েটের এই ভর্তি পরীক্ষা দেশের শীর্ষ প্রকৌশল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। এতে প্রতিযোগিতার মাত্রা অত্যন্ত উঁচু, যা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানকে আরও উন্নত করে।