খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:২৭ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন মন্ত্রিসভার জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য মোট ৫০টি সরকারি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শপথ গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়েছে ১৭ অথবা ১৮ ফেব্রুয়ারি। তবে প্রক্রিয়াটি দ্রুততর হলে এর আগেও শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিভাগের কর্মকর্তা জানিয়েছে, “৫০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখা মানে সব ৫০ জনকে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা হচ্ছে, এমনটি নয়। মন্ত্রিসভার যে কোনো সংখ্যা সদস্য হোক, তার চেয়ে বেশি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়। অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী গাড়ি গ্রহণ করলেও কেউ কেউ তা নেন না।’’
গত ৫ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছিলেন, “ক্ষমতা হস্তান্তর সর্বাধিক দ্রুত সময়ে সম্পন্ন হবে। যদি তিন দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। এ প্রক্রিয়া ১৫-১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। তাই শপথ অনুষ্ঠান ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির পরে সম্ভবত স্থগিত হবে না।”
এর সঙ্গে মিলিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জাতীয় সনদ কার্যক্রমের সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি দ্রুততার সঙ্গে এগোচ্ছে, যা প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সরকারি যানবাহনের প্রস্তুতি থেকেই স্পষ্ট।
নিচের টেবিলটি নতুন মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য যানবাহন ও তার ব্যবহার সম্পর্কিত তথ্য দেখাচ্ছে:
| গাড়ির সংখ্যা | ব্যবহারকারীর ধরন | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ৫০ | মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী | শপথ গ্রহণের পর সরাসরি ব্যবহার করা হবে |
| ২০ | মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী দ্বারা নিলে | কিছু মন্ত্রী গাড়ি নেন না, অতিরিক্ত গাড়ি রাখা হয় |
| ৩০ | সংরক্ষিত গাড়ি | সংরক্ষিত গাড়ি নতুন সদস্য বা জরুরি কাজে ব্যবহৃত হতে পারে |
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই মুহূর্তে সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও যানবাহনের প্রস্তুতি সমন্বয় করছে। শপথ গ্রহণের দিন ঘোষণার পর সরকারি গাড়ি, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।
প্রসঙ্গত, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত এবং সরকারি কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে। প্রশাসনিক সূত্রের মতে, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
মন্তব্য