খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 8শে চৈত্র ১৪৩০ | ২১ই মার্চ ২০২৪ | 1148 Dhu al-Hijjah 5
খবরওয়ালা ডেস্ক ॥ পেঁয়াজের বাজার গত এক সপ্তাহ ধরে নিম্নমুখী। রাজধানীর বাজারগুলো ঘুরে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও দেশি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। একই পেঁয়াজের দাম এখন প্রায় অর্ধেক কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। তবে বিপরীত চিত্র রয়েছে আলুর বাজারে। সপ্তাহ খানেকের ব্যবধানে আলুর দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকার মতো। তবে এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে আরও বেশি; ১২ থেকে ১৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অতি মুনাফার আশায় অনেকেই পেঁয়াজ মজুত করেছিল। কিন্তু ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে এমন খবর বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। আবার ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের অনেকেই ক্ষেত থেকে অপরিণত পেঁয়াজ তুলে বাজারে জড়ো করছেন। এসব কারণে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, যা দাম কমানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। গতকাল বুধবার (২০ মার্চ) ঢাকার মালিবাগ, শান্তিনগর ও কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। কারওয়ান বাজার থেকে পাল্লা (৫ কেজি) হিসেবে কিনলে দাম পড়ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা। যদিও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পেঁয়াজের দাম এখনও বেশি। গত বছরের এ সময় পেঁয়াজের কেজি ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। রমজানের আগে পেঁয়াজের বাজার কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। রোজায় যাতে দাম না বাড়ে সে জন্য সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির তোড়জোড় শুরু করে। ভারত থেকে আমদানি হতে যাচ্ছে এমন আলোচনায় পেঁয়াজের বাজার স্থির হয়ে আসে। ফলে নতুন করে দাম বাড়তে দেখা যায়নি। এদিকে মাস খানেক আগে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছিল আলুর দর। প্রতি কেজি নেমেছিল ২৮ থেকে ৩০ টাকায়। কিন্তু কিছুটা বেড়ে গত সপ্তাহে আলু বিক্রি হয়েছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। আজ দাম আরও বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা আর মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। অবশ্য কারওয়ান বাজার ও যাত্রাবাড়ীর মতো বড় বাজারগুলো থেকে দরদাম করে কিনলে ৪০ টাকা বা তার কিছুটা কমেও পাওয়া যায়। এক বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এখনও দ্বিগুণের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। গত বছরের এ সময় প্রতি কেজি আলুর দর ছিল ১৬ থেকে ২০ টাকা। টিসিবির তথ্য বলছে, এক বছরে আলুর দর বেড়েছে ১৩৬ শতাংশ। কারওয়ান বাজারের আলু ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এবার দাম বেশি থাকায় কৃষকরা অনেক আগে থেকে আলু তোলা শুরু করেছেন। অপরিণত আলু তুলে ফেলায় সরবরাহ কিছুটা কম। তাছাড়া রোজার সময় চাহিদা বেশি থাকে। এসব কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে।
খবরওয়ালা সম্পর্কে: