দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট অ্যাকাডেমি মাঠে অনুশীলন চলার সময়ই সাংবাদিকদের অনুরোধে সাড়া দিলেন মেহেদী হাসান। কথা বলার আগে তিনি অনুরোধ করলেন, নেটে ব্যাটিংরত খেলোয়াড়দের শটে বল এলে যেন তাঁকে সতর্ক করা হয়। চার মিনিটের সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনা ঘটল দুবার। একবার দৌড়ে ছুটলেও এই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার আরেকবার দাঁড়িয়ে থাকলেন।
যাদের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচ, তাদের জন্য বাড়তি সতর্ক না হয়ে অবশ্য উপায় নেই। যদিও মেহেদী বলছেন, সুপার ফোরে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিকে তারা আলাদাভাবে দেখছেন না।
এইবারের এশিয়া কাপেও গ্রুপ পর্বের সব খেলা জিতে সুপার ফোরে উঠেছে ভারত। পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে সুপার ফোরেও তাদের যাত্রা ভালো হয়েছে। কাল এই ভারতের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেয়ে এ খেলার আগে বাংলাদেশও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।
কাল দলের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে আসা মেহেদী বলেছেন, ‘অতিরিক্ত কিছু ভাবছি না। শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচ খেলার জন্য যেভাবে মানসিক প্রস্তুতি প্রয়োজন, সেভাবেই আছি। প্রতিপক্ষ ভারত না অস্ট্রেলিয়া—সেভাবে বিবেচনা করছি না।’
ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ১৭টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র একটিতে। ২০১৯ সালে দিল্লিতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজের খেলায় এই জয় এসেছিল। পরিসংখ্যানের দিক থেকে ভারত অনেক এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ হলে দর্শকদের মধ্যে একটি বিশেষ উন্মাদনা দেখা যায়।
ক্রিকেটাররা নাকি এসবও অনুভব করছেন না, ‘এসব নিয়ে ভাবছি না। এই উন্মাদনা তো আপনারা বা দর্শকদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে। আমরা যেভাবে প্রতিটি আন্তর্জাতিক খেলা খেলেছি, সেভাবেই খেলব।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকার পর মেহেদীর আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে খেলার সুযোগ হয়নি। তবে পুনরায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সুযোগ পেয়ে দুটি উইকেট লাভ করেছেন তিনি।
মেহেদী বলেন, ‘ভালোর তো কখনো শেষ হয় না। মনে হয়েছে, যদি আরও ভালো করতে পারতাম, তাহলে আরও ভালো হতো। একটা ইতিবাচক দিক হলো যে, যখনই কেউ খেলার সুযোগ পাচ্ছে, তখনই পারফর্ম করছে। এটা আমাদের দলের জন্য খুবই ভালো।’
খবরওয়ালা/টিএসএন



