খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
ফিলিস্তিনিদের সাথে একাত্বতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে গতকাল (১২ এপ্রিল) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘মার্চ ফর গাজা”। এই অনুষ্ঠানে আয়োজকরা একটি ঘোষণাপত্র দিয়েছেন এবং সেখানে কিছু দাবির কথা উল্লেখ করেছেন।
ঘোষণায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশ্বের মুসলিম নেতা ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আলাদা আলাদা দাবি জানানো হয়। একই সাথে ইসরায়েলি পণ্য বয়কটসহ বেশ কিছু অঙ্গীকার করা হয়।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইসরায়েলি ‘গণহত্যার’ বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করা, হত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ, ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্যবাধকতা তৈরি করা, পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয়া এবং ফিলিস্তিনদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্তের দাবি জানানো হয়।
মুসলিম নেতাদের প্রতি ইসরায়েলের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সব সম্পর্ক ছিন্ন করা, বাণিজ্যিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা; গাজার জনগণের পাশে চিকিৎসা, খাদ্য, আবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করা; আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসরায়েলকে একঘরে করতে সক্রিয় কূটনৈতিক অভিযান শুরু করার আহ্বান জানানো হয়।
ভারতে মুসলিমদের ‘অধিকার হরণ’, বিশেষ করে ওয়াকফ আইনে হস্তক্ষেপের মতো বিষয়ে ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে দৃঢ় প্রতিবাদ ও কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থান নেয়ার দাবি জানানো হয় ঘোষণাপত্রে।
একই সাথে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘একসেপ্ট ইসরায়েল’ শর্ত পুনর্বহাল, ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান আরও সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করা, ইসরায়েলি কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যত চুক্তি হয়েছে তা বাতিল করা, রাষ্ট্রীয়ভাবে গাজায় ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া, সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং আমদানি নীতিতে ‘জায়নবাদী কোম্পানির’ পণ্য বর্জনের নির্দেশনা প্রদান, পাঠ্যবই ও শিক্ষা নীতিতে আল-আকসা, ফিলিস্তিন ও মুসলিমদের সংগ্রামী ইতিহাসকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।
খবরওয়ালা/ এমএজেড