কুমারখালীতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় এখন নৌকার অফিস

নিজ সংবাদ ॥ কুমারখালীতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় এখন নৌকার অফিস, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ২০ অক্টোবর ২০২৩ ইং তারিখে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত প্রজ্ঞাপনে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার ৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারী ডাক-বাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা কোন সরকারী কার্যালয়কে দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা যাইবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

কুমারখালীতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় এখন নৌকার অফিস

কুমারখালীতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় এখন নৌকার অফিস

 

অথচ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ৭নং বাগুলাট ইউনিয়নে পরিষদের পুরাতন কার্যালয়কে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করে নৌকা প্রতীকের প্রচারণার অফিস হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার দেখা দিয়েছে। জানা যায়, গত বৃহঃবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাগুলাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাশেদুল হক ডাবলুর নেতৃত্বে ওলিদুর রহমান, রিফাত আহাম্মদ শাওন এবং জিহাদুর রহমান এর নির্দেশে নৌকার প্রতীকের প্রচারণার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন কার্যালয়কে ব্যবহার করা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ের দুইপাশে এবং প্রবেশ পথে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সেলিম আলতাফ জর্জের নৌকা প্রতীকের পোষ্টার সারিবদ্ধভাবে দড়ির সাথে ঝুঁলিয়ে রাখা। পরিষদের পুরাতন কার্যালয়ের প্রবেশ ফটকে ছিলো তালা বিহীন এবং ভিতবে পোষ্টার সহ নির্বাচনী প্রচারণার বিভিন্ন সমগ্রী দেখা যায়। অবশ্য অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কাউকে কার্যালয়ের ভিতরে বা আশে পাশে পাওয়া যায়নি।

 

google news
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

এই বিষয়ে জানতে রাশেদুল হক ডাবলুর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রং নাম্বার বলে ফোন কেটে দেন। জানতে চাইলে বাগুলাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল হক নবা বলেন, সরকারী বা আধা সরকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচনী প্রচারণার অফিস হিসাবে ব্যবহার করার অর্থই হলো নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ করা। আমি তাদের নিষেধ করার সত্ত্বেও তারা শোনেনি। আমি আগামীকাল এই বিষয়ে নির্বাচন অফিসে অভিযোগ দিবো।

এই বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসার আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারী স্থাপনাকে নির্বাচনী অফিস হিসাবে ব্যবহার করার কোন সুযোগ নেই। আমি বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অবশ্যই খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ আবু আনছার বলেন, এই বিষয়ে আমরা কোন লিখিত অভিযোগ পাই নাই। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও দেখুন:

Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর

খবরওয়ালা একটি বিশ্বস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও আপডেট প্রকাশ করা হয়। রাজনীতি, জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ, শিক্ষা, খেলাধুলা, ব্যবসা, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে পাঠকদের জন্য রয়েছে নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পরিবেশন।

© ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।