আটক পুলিশ সদস্যরা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন তাঁদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে ওই দুই পুলিশ সদস্য সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালাতে যান। অভিযানের একপর্যায়ে নতুন যোগ দেওয়া কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান পথ চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করেন। ধাওয়ার সময় তিনি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশ করেন।
সেখানে স্থানীয় কয়েকজন মাদক কারবারি তাঁকে আটক করেন বলে পুলিশের ভাষ্য। পরে কনস্টেবল রোহিত দেওয়ানকে উদ্ধার করতে গিয়ে এএসআই ইমরান হোসেনও আটক হন। এরপর স্থানীয় ব্যক্তিরা দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেন। বিএসএফ তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর থেকে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, তাঁদের ফিরিয়ে আনতে পুলিশ ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন।
সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে নির্ধারিত সীমারেখা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রবেশের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ঠিক কখন দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো সময় জানানো হয়নি। তাঁদের উদ্ধারে চলমান আলোচনার অগ্রগতি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।


