গাজীপুরের টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন দুজন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংস্থাটির ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানার আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার পর টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম জোরদার করতে পর্যায়ক্রমে মোট ১১টি ইউনিট যুক্ত হয়।
অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাঁদের পরিচয়, আঘাতের মাত্রা এবং শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহীন আলম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট কাজ করছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
তবে কারখানাটির ঠিক কোন অংশে আগুন লেগেছে, কীভাবে এর সূত্রপাত হয়েছে কিংবা আগুন কতটা ছড়িয়ে পড়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। একইভাবে অগ্নিকাণ্ডে কারখানার ভবন, উৎপাদন সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কর্মীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রমের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ধরনের স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া, আগুনের বিস্তার ঠেকানো এবং উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সুরক্ষিত রাখার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে টঙ্গীর এই ঘটনায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিসের প্রধান কাজ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরিস্থিতি নিরাপদ করা। আগুন পুরোপুরি নেভানোর পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
ঘটনাটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। দগ্ধ দুজনের শারীরিক অবস্থা, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং কারখানার সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।


