হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৯৬৯ পিস ইয়াবাসহ একজন বিমানযাত্রীকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। আটক ব্যক্তি মোঃ নবী হোসেন (৪৫), যিনি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার বাসিন্দা। এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, তিনি পায়ুপথে ইয়াবা বহন করছিলেন।
পুলিশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রবিবার দুপুরে নভোএয়ারের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট VQ922 যোগে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আসার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের কার পার্কিং এলাকায় তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএনের অফিসে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ইয়াবা পায়ুপথে লুকিয়ে আনার কথা স্বীকার করেন। বিমানবন্দরের চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত এক্স-রে পরীক্ষায় তিনটি ডিম্বাকৃতির বস্তু শনাক্ত করা হয়।
এরপর তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনটি পোটলা উদ্ধার করা হয়। পোটলাগুলো খুলে মোট ৯৬৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
আটকের তথ্য সংক্ষিপ্ত টেবিল:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| আটক ব্যক্তি | মোঃ নবী হোসেন (৪৫) |
| গ্রামের ঠিকানা | টেকনাফ, কক্সবাজার |
| আটককালের সময় | রবিবার দুপুর |
| ফ্লাইট | নভোএয়ার VQ922 (কক্সবাজার-ঢাকা) |
| উদ্ধারকৃত ইয়াবা | ৯৬৯ পিস ট্যাবলেট |
| বহন পদ্ধতি | পায়ুপথে লুকিয়ে আনা পোটলা |
| হাসপাতাল | কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল |
| মামলার অবস্থা | ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন |
এপিবিএনের অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, “বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে মাদক চোরাচালানসহ যেকোনো অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সংঘটিত সব ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।”
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মোঃ নবী হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক পরিবহন ও বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এ ধরনের ধৃত অভিযান দেশের বিমানবন্দরগুলিতে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে এপিবিএনের সক্রিয়তা ও নিয়মিত নজরদারির প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



