খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ই জানুয়ারি ২০২৪, ৬:২২ এএম

চাপড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির লিঃ এর সাধারণ সম্পাদক, এস, এম রাশেদ টটো বলেন, সরকার এর কাছ থেকে কুমারখালী উপজেলা ডাকুয়া নদীর ক্যানাল। চাপড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিজ নিয়ে, মাছ চাষ করে আসছে,। নির্বাচনের পর আমরা (১৪ জানুয়ারি) সকালে মাছ ধরতে গেলে, যদুবয়রা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ ঘটনা স্থানে একে মাছ ধরতে নিষেধ করে। আমরা বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, আপনাদের প্রতিপক্ষের লোকজন মাছ ধরাকে কেন্দ্র আপনাদের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে পারে। আপাতত মাছ ধরা বন্ধ রাখতে বলে। ইনচার্জের কথা মতো মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়েছে। আকাশ ও সবুজ এর নেতৃত্বে একটি দল আমাদের মাছ ধরতে যাতে না পারি , সেই জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তারা। আমরা সঠিক বিচার চাই, কেন আমাদের মাছ আমরা ধরতে পারবো না । কেন তারা বাঁধা দিচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এই বিষয়ে আকাশ রেজার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মাছ ধরা বন্ধ করিনি, পুলিশ বন্ধ করেছে। কথা বলার এক পর্যায়ে তিনি বলেন, থানায় একটি অভিযোগ করেছি, কারণ টেন্ডারের সময় আমাকে বিভিন্ন সময়ে তারা চাপ প্রয়োগ করে টেন্ডার দিতে দেয়নি, সেই সময়। তারা একটি সমন্বয় এর কথা বলে আমাকে ঠকায়। আমি এখন আইন অনুযায়ী আমার দাবী ফেরত পেতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। কুমারখালী যদুবয়রা ফাঁড়ির ইনচার্জ, আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাছ ধরা কে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পাটির মধ্যে উত্তেজনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। থানার নির্দেশে আপাতত মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। পরিবেশ শান্ত হলে মাছ ধরতে বলা হয়েছে। এই বিষয় কে কেন্দ্র করে আইন শৃঙ্খলা অবনতি যাতে না ঘটে সেই জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। থানা পুলিশের সূত্র থেকে জানা যায়, বিষয়টি সমাধানের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য