বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

তীব্র গরমের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। গ্যাসের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর একটি বড় অংশ পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে জনজীবনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। দিনের প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকা এবং রাতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে নিয়মিত পড়ার সময় যেমন কমে যাচ্ছে, তেমনি ঘুম ও স্বাভাবিক জীবনযাপনও ব্যাহত হচ্ছে।

গ্রামাঞ্চলের অনেক এলাকায় দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ময়মনসিংহের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎহীনতার সময় ১০ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছানোর তথ্যও এসেছে। সিলেট ও বরিশালের বিভিন্ন এলাকাতেও দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এত দিন গ্রামাঞ্চলে সংকটের মাত্রা বেশি থাকলেও এবার রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকাতেও রাতের বেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে।

তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে বিদ্যুৎ ঘাটতি

সাম্প্রতিক উৎপাদন ও চাহিদার হিসাব বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চাপের চিত্র তুলে ধরছে। ১১ আগস্ট মধ্যরাতে দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৯২ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। ওই সময় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার ৫২৩ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১৩ হাজার ৯৩১ মেগাওয়াট।

পরদিন ১২ আগস্ট বিকেল ৩টায়ও ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৩৮২ মেগাওয়াট। এর আগের দিনগুলোতেও পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। ৯ আগস্ট একপর্যায়ে ঘাটতি দাঁড়ায় ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াটে এবং ১০ আগস্ট তা বেড়ে ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে পৌঁছে। সাম্প্রতিক এই ঘাটতি ২০২৩ সালের ২৭ জুনের সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৪১৯ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।

রাজধানীতেও পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে। ১৪ আগস্টের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বসুন্ধরা, ইস্কাটন, কাজীপাড়া, মৌচাক, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, পশ্চিম রাজাবাজার ও মোহাম্মাদপুরের কিছু এলাকায় রাতে এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার তথ্য উঠে আসে।

ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির আওতাধীন এলাকায় গড় বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ২ হাজার ১০০ মেগাওয়াট। ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির আওতাধীন এলাকায় চাহিদা প্রায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৪৪০ মেগাওয়াট। সংকটের সময়ে উভয় বিতরণ ব্যবস্থাতেই গড়ে প্রায় ২০০ মেগাওয়াট করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

পড়ার সময় বিদ্যুৎ নেই, রাতেও স্বস্তি নেই

দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের সবচেয়ে সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন পড়াশোনায়। দিনের বেলায় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকলে ঘরে বসে বই নিয়ে পড়া কঠিন হয়ে পড়ে। পাখা না চলায় অস্বস্তি বাড়ে, মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়। রাতে একই পরিস্থিতি আরও বড় সমস্যা তৈরি করে। বিদ্যুৎ চলে গেলে ঘরের ভেতর তাপমাত্রা বেড়ে যায়, ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে এবং পরদিন ক্লাস বা পড়াশোনার সময় ক্লান্তি তৈরি হয়।

মোহাম্মদপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জিনাত রেদওয়ানা জানান, কলেজে ক্লাস চলাকালেও বিদ্যুৎ চলে যায়। বাসায় সন্ধ্যার পর একাধিকবার লোডশেডিং হওয়ায় পড়াশোনায় আগ্রহ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় পরদিন সকালে ক্লাসে যাওয়ার সময়ও ক্লান্তি থাকে।

বিদ্যুৎনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বিস্তারের কারণে সংকটের প্রভাব এখন আরও বহুমাত্রিক। অনলাইন ক্লাস, ভিডিও পাঠ, ডিজিটাল বই, নমুনা পরীক্ষা, ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে মুঠোফোন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে এসব কার্যক্রম হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইন ক্লাস বা পরীক্ষা থাকলে পরে তা পূরণ করার সুযোগও সব সময় পাওয়া যায় না।

পরীক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি চাপ

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে ২৯ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিল।

এই সিদ্ধান্ত থেকেই বোঝা যায়, পরীক্ষা চলাকালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। কয়েক ঘণ্টার বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো শিক্ষার্থীর নির্ধারিত পড়ার সময় নষ্ট করতে পারে। বিশেষ করে যাদের পরীক্ষা বা ভর্তি প্রস্তুতির সময়সূচি কঠোর, তাদের জন্য এই ক্ষতি পরে পূরণ করা সহজ নয়।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর মডেল কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার কারণে কৃষিকাজের সেচ যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাতেও প্রভাব পড়ছে। এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাও বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি জানান।

সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানির সংকট

বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি। দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট হলেও প্রয়োজনীয় গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি না থাকায় অনেক কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দৈনিক গ্যাসের প্রয়োজন প্রায় ২ হাজার ৫২৪ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু ১১ আগস্ট এসব কেন্দ্র পেয়েছে মাত্র ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। গ্যাসের অভাবে ১৬টি গ্যাসভিত্তিক এবং পাঁচটি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ ছিল। আরও ৩৪টি কেন্দ্র সক্ষমতার নিচে উৎপাদন করছিল।

জুলাইয়ের শেষ দিকে মহেশখালীর একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনালে সমস্যা দেখা দেওয়ার পর গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সামিটের ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।

অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি না থাকায় সেই সক্ষমতার বড় অংশ কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এর ফলে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান বাড়ছে এবং বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

গরমের সঙ্গে বাড়ছে মশার উৎপাত

লোডশেডিংয়ের সঙ্গে তীব্র গরম ও মশার উৎপাত রাজধানীর বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। সন্ধ্যার পর মশার কারণে অনেকে জানালা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। জানালা খুললে মশা ঘরে ঢুকছে, আবার জানালা বন্ধ রাখলে গরম ও অস্বস্তি বাড়ছে।

এর মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতিও নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৮৮০ ছাড়িয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় ঢাকা বিভাগ শীর্ষে রয়েছে। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরকে ডেঙ্গুর বিস্তারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে দেখা হয়।

বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালানো সম্ভব না হওয়া এবং মশার উৎপাত—দুই সমস্যাই একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হচ্ছে নগরবাসীকে। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ছে পড়াশোনা ও ঘুম—দুই ক্ষেত্রেই।

কৃষি, ব্যবসা ও শিল্পেও চাপ

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব শুধু বাসাবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নেই। কৃষি, ব্যবসা ও শিল্প খাতেও এর প্রভাব পড়ছে। দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে সেচব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। দোকানপাট, ওয়ার্কশপ, চালকল এবং বিদ্যুৎনির্ভর বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে কাজের সময় কমে যাচ্ছে।

শিল্পকারখানাগুলোকে অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন কমাতে বা কাজের সময়সূচি পরিবর্তন করতে হচ্ছে। কেউ কেউ অতিরিক্ত ব্যয়ে জ্বালানিচালিত যন্ত্র ব্যবহার করছেন। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে।

তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতির ধরন আলাদা। কোনো কারখানার উৎপাদন কয়েক ঘণ্টা পিছিয়ে গেলে পরে কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। কিন্তু একজন পরীক্ষার্থীর নির্দিষ্ট সময়ের পড়াশোনা নষ্ট হলে তা সব সময় পরে পূরণ করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে পরীক্ষা, ভর্তি প্রস্তুতি কিংবা অনলাইন ক্লাসের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দীর্ঘ লোডশেডিং শিক্ষার ধারাবাহিকতায় সরাসরি প্রভাব ফেলে।

সাশ্রয়ী ব্যবহারে জোর

গ্যাস সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহের সংকট এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম আমিতও গ্যাস সরবরাহের সমস্যাকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি।

শিক্ষার্থীদের সামনে অনিশ্চয়তা

এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম থেমে নেই। ফল প্রকাশের অপেক্ষা, ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি, উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন শ্রেণির নিয়মিত পড়াশোনা—সব ক্ষেত্রেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাস ও ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রীর ওপর বেশি নির্ভরশীল, তাদের জন্য দীর্ঘ লোডশেডিং বাড়তি বাধা তৈরি করছে। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে শুধু পড়াশোনা বন্ধ হচ্ছে না; অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত ক্লাস, পরীক্ষা বা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহারের সুযোগও নষ্ট হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিকে শুধু সাধারণ লোডশেডিং হিসেবে দেখলে সংকটের পুরো চিত্র ধরা পড়ে না। উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানির ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব একসঙ্গে পড়ছে শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা ও শিল্পে।

শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষতি হচ্ছে পড়াশোনার সময় কমে যাওয়া, ঘুমের ব্যাঘাত এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা নষ্ট হওয়া। সামনে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম, ভর্তি প্রস্তুতি ও বিভিন্ন পরীক্ষা থাকায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যে জ্বালানি সংকট বিদ্যুৎ ঘাটতি বাড়িয়েছে, সেই সংকট কত দ্রুত কাটানো যায়, তার ওপরই আগামী দিনের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি অনেকাংশে নির্ভর করছে।

Tags :

ratul Khaborwala

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ খবর