আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন প্রার্থী কিংবা গণমাধ্যম কেউই ড্রোন ব্যবহার করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। তবে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (০৭ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘ভোটের দিন ড্রোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ বিষয়ে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট। তবে সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
তিনি আরও জানান, আগামী ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এরই মধ্যে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী মাস থেকে শুরু করে প্রবাসীদের ভোটার অ্যাডুকেশনের কাজ করবে নির্বাচন কমিশন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রবাসী ভোটারদের জন্য ভোটগ্রহণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো আসনে কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলে সেই আসনে পোস্টাল ব্যালট বন্ধ করে দেওয়া হবে। কারণ, প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে প্রতি লাখ ভোটারের জন্য ছয় থেকে সাত কোটি টাকা খরচ হবে।’
ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার জানান, ‘ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যারা ভোটার হবেন, তাদেরই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং তারাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।’
পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত বিষয়ে সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রতীক দেয়া থাকবে, তবে প্রার্থীর নাম নয়। প্রতীকযুক্ত ব্যালট যাবে প্রবাসীদের কাছে। সময় সাশ্রয়ের জন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের মাধ্যমে।’
তিনি আরও জানান, রেজিস্ট্রেশনের জন্য তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। দেশে যারা আইনি হেফাজতে আছেন, সরকারি কর্মচারী ও নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে তিনি জানান, ‘কমিশনের আজকের দিনের মতো সভা মুলতবি করা হয়েছে।’
নির্বাচন ঘিরে এমন প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ দেশ ও বিদেশে থাকা ভোটারদের অংশগ্রহণ আরও সুসংহত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করছে কমিশন।
খবরওয়ালা/এসআই



