খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ই আগস্ট ২০২৬, ৩:২৫ পিএম
সিরাজগঞ্জে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাকের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসের আরও অন্তত আট যাত্রী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নলকা ওভারপাসের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রঞ্জন দেবনাথ জানান, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি যাত্রীবাহী বাস রাত দেড়টার দিকে নলকা ওভারপাসের নিচ দিয়ে যাচ্ছিল। একই সময়ে সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাক ওভারপাসে ওঠার সময় বাসটিকে ধাক্কা দেয়।
ট্রাকের ধাক্কায় বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বাসের চালকসহ দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনায় বাসে থাকা আরও অন্তত আট যাত্রী আহত হন। সংঘর্ষের পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত বাস থেকে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হলে স্বজনদেরও দুর্ঘটনার বিষয়ে জানানো হবে।
দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী বাসটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছিল। অন্যদিকে ট্রাকটি সিরাজগঞ্জ শহর থেকে এসে নলকা ওভারপাসে ওঠার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফলে মহাসড়কের ওই অংশে যান চলাচলের মধ্যেই দুই যানবাহনের সংঘর্ষ হয়।
সড়ক দুর্ঘটনায় একই সঙ্গে প্রাণহানি ও একাধিক যাত্রী আহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় মহাসড়কে ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে। তবে ঠিক কী কারণে ট্রাকটি বাসটিকে ধাক্কা দিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মন্তব্য