বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার দৈনিক বিনিময় হার জানতে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত দর অনুসরণ করা হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলার, পাউন্ড স্টার্লিং, ইউরো, ভারতীয় রুপি, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার, চীনা ইউয়ান ও জাপানি ইয়েনের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার নির্ধারিত বিনিময় হার দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত হিসাবে, ১ মার্কিন ডলারের ক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ১৬ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ডলার কিনলে প্রতি ডলারের বিপরীতে ১২৩.১৬ টাকা এবং বিক্রি করলে ১২৩.২০ টাকা দর প্রযোজ্য হবে।
ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ১৬৬ টাকা ৪৯ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৬ টাকা ৫৭ পয়সা। ইউরোর ক্রয়দর ১৪২ টাকা ৮৪ পয়সা, আর বিক্রয়দর ১৪২ টাকা ৯৩ পয়সা। ফলে ইউরো ও পাউন্ড—দুই মুদ্রার ক্ষেত্রেই ক্রয় ও বিক্রয়দরের মধ্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।
ভারতীয় রুপির ক্ষেত্রে ১ রুপির ক্রয় ও বিক্রয়—দুই দরই ১ টাকা ২৯ পয়সা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৮ টাকা ২৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮৮ টাকা ৩৫ পয়সা। সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে এই দুই দর যথাক্রমে ৯৭ টাকা ১৯ পয়সা ও ৯৭ টাকা ২২ পয়সা।
চীনা ইউয়ানের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৮ টাকা ৩৬ পয়সা। অন্যদিকে জাপানি ইয়েনের ক্ষেত্রে ১ ইয়েনের ক্রয় ও বিক্রয়দর উভয়ই ৮০ পয়সা।
১৬ সেপ্টেম্বরের বিনিময় হার
| মুদ্রা | কেনা (টাকা) | বেচা (টাকা) |
|---|---|---|
| মার্কিন ডলার | ১২৩.১৬ | ১২৩.২০ |
| ব্রিটিশ পাউন্ড | ১৬৬.৪৯ | ১৬৬.৫৭ |
| ইউরো | ১৪২.৮৪ | ১৪২.৯৩ |
| ভারতীয় রুপি | ১.২৯ | ১.২৯ |
| অস্ট্রেলিয়ান ডলার | ৮৮.২৮ | ৮৮.৩৫ |
| সিঙ্গাপুর ডলার | ৯৭.১৯ | ৯৭.২২ |
| চীনা ইউয়ান | ১৮.৩৫ | ১৮.৩৬ |
| জাপানি ইয়েন | ০.৮০ | ০.৮০ |
বিদেশে পড়াশোনা, চিকিৎসা, ভ্রমণ, আমদানি-রপ্তানি কিংবা প্রবাসী আয়সহ নানা ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার দর গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ডলার, পাউন্ড ও ইউরোর মতো প্রধান মুদ্রার বিনিময় হার ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে প্রকাশিত বা নির্দেশিত বিনিময় হার এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের বাস্তব লেনদেনের দর এক নাও হতে পারে। লেনদেনের ধরন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব রেট এবং প্রযোজ্য অন্যান্য চার্জের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ভিন্ন হার দেখা যেতে পারে। তাই বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ দর যাচাই করা প্রয়োজন।


