স্মরণে জ্ঞানতাপস কাজী মোতাহার হোসেন

কিছু মানুষ চলে যান, তাঁদের আলো থেকে যায়—প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে

কিছু মানুষের প্রস্থান কেবল একটি জীবনের অবসান নয়; তা একটি সময়ের বিদায়, একটি আলোকিত অধ্যায়ের সমাপ্তি। অথচ তাঁদের রেখে যাওয়া জ্ঞানের দীপশিখা কখনো নিভে যায় না। সময়ের স্রোত বয়ে যায়, প্রজন্মের পর প্রজন্ম পৃথিবীতে আসে, আবার হারিয়েও যায়; কিন্তু কোনো কোনো মহৎ মানুষ তাঁদের কর্ম, চিন্তা ও আদর্শের মধ্য দিয়ে চিরকাল বেঁচে থাকেন। জ্ঞানতাপস কাজী মোতাহার হোসেন তেমনই এক বিরল মনীষী—যাঁর জীবন ছিল জ্ঞানসাধনার, যাঁর মনন ছিল মুক্তচিন্তার, আর যাঁর কর্ম ছিল আগামী প্রজন্মের জন্য আলোর পথ নির্মাণের এক নিরলস প্রচেষ্টা।

আজ তাঁকে স্মরণ করতে গিয়ে শ্রদ্ধায় নত হয়ে আসে মন। মনে হয়, আমাদের ইতিহাসের আকাশে এমন কিছু নক্ষত্র আছেন, যাঁদের আলো হয়তো আমরা প্রতিদিন অনুভব করি না, অথচ তাঁদের আলোকেই আমাদের পথচলার অনেকটা পথ উজ্জ্বল হয়ে আছে। কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন তেমনই এক নক্ষত্র—নীরব অথচ দীপ্তিমান, বিনয়ী অথচ অসামান্য, জ্ঞানগভীর অথচ জীবনঘনিষ্ঠ।

১৮৯৭ সালের ৩০ জুলাই কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন এই প্রজ্ঞাবান মানুষটি। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে। জন্মভূমির মাটি থেকে উঠে এসে তিনি নিজের মেধা, অধ্যবসায় ও সাধনার শক্তিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন জ্ঞানের এমন এক উচ্চতায়, যেখানে ব্যক্তিগত কৃতিত্ব ছাড়িয়ে মানুষ হয়ে ওঠেন একটি জাতির সম্পদ।

শৈশব থেকেই তাঁর মেধার পরিচয় ছিল সুস্পষ্ট। বৃত্তি নিয়ে শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে তিনি ১৯১৫ সালে কুষ্টিয়া মুসলিম হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যয়ন এবং প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের সান্নিধ্য তাঁর জ্ঞানচর্চাকে নতুন মাত্রা দেয়। ১৯১৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে অনার্সসহ বিএ পরীক্ষায় বাংলা ও আসাম অঞ্চলে প্রথম স্থান অর্জন করেন। ১৯২১ সালে এমএ পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞানে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান লাভ করেন।

তবে তাঁর জীবনের মহত্ত্ব কেবল পরীক্ষার ফলাফল কিংবা একের পর এক ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে নিহিত ছিল না। তাঁর প্রকৃত পরিচয় ছিল জ্ঞানের প্রতি গভীর অনুরাগে, সত্য অনুসন্ধানের নিরন্তর তৃষ্ণায় এবং অর্জিত জ্ঞানকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত করার মানসিকতায়। তিনি বুঝেছিলেন, শিক্ষা শুধু জীবিকা অর্জনের উপায় নয়; শিক্ষা মানুষের চোখ খুলে দেয়, বিবেককে জাগিয়ে তোলে, অন্ধবিশ্বাসের শৃঙ্খল ভেঙে মানুষকে মুক্তির পথ দেখায়।

এই উপলব্ধিই তাঁকে করে তুলেছিল সময়ের চেয়ে অগ্রসর এক মনীষী।

বিজ্ঞানের সাধনায়, শিক্ষার বিস্তারে

কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন বাংলাদেশের পরিসংখ্যানচর্চার অন্যতম পথিকৃৎ। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ডেমনস্ট্রেটর হিসেবে তাঁর কর্মজীবনের সূচনা। ১৯২৩ সালে একই বিভাগে সহকারী প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়ে শুরু করেন শিক্ষকতা ও গবেষণার এক দীর্ঘ, গৌরবময় অধ্যায়।

তাঁর কর্মজীবনের দিকে তাকালে বোঝা যায়, তিনি শুধু নিজের সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে চাননি; বরং চেয়েছিলেন, তাঁর পেছনে আসা মানুষগুলোর জন্যও নতুন পথ তৈরি হোক। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠক্রম চালুর উদ্যোগে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি সময়ে তিনি পরিসংখ্যান শিক্ষার প্রসারে কাজ করেছেন, যখন এ বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও গবেষণার পরিসর আজকের মতো বিস্তৃত ছিল না।

১৯৩৮ সালে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে পরিসংখ্যানে ডিপ্লোমা অর্জন এবং ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে পিএইচডি লাভ তাঁর গবেষণানিষ্ঠার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ১৯৫১ সালে রিডার এবং ১৯৫৪ সালে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রথম পরিচালক হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

১৯৬১ সালে নিয়মিত চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করলেও জ্ঞানসাধনা থেকে অবসর নেননি তিনি। কারণ, প্রকৃত জ্ঞানসাধকের কাছে অবসর মানে থেমে যাওয়া নয়; তাঁর কাছে জ্ঞানচর্চা ছিল জীবনেরই অন্য নাম।

ভাবতে ভালো লাগে, শ্রেণিকক্ষে তাঁর উচ্চারিত কথাগুলো, শিক্ষার্থীদের মনে জাগিয়ে তোলা প্রশ্নগুলো, গবেষণার পথে রেখে যাওয়া তাঁর পদচিহ্ন—কত মানুষের চিন্তার জগৎকে সমৃদ্ধ করেছে! হয়তো তাঁর কোনো শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে হয়ে উঠেছেন শিক্ষক, কোনো গবেষক, কোনো প্রতিষ্ঠানের পথপ্রদর্শক। এভাবেই একজন মানুষের জীবন ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য মানুষের জীবনে। তাঁর অর্জিত জ্ঞান তখন আর ব্যক্তিগত সম্পদ থাকে না; হয়ে ওঠে সমাজের উত্তরাধিকার।

যুক্তির আলোয় আলোকিত এক মন

বিজ্ঞানী হয়েও তিনি সাহিত্যের প্রতি ছিলেন গভীরভাবে অনুরাগী। পরিসংখ্যানের কঠিন সূত্র ও বৈজ্ঞানিক যুক্তির জগতের পাশাপাশি তাঁর হৃদয়ে ছিল সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক অনুভূতির জন্য উন্মুক্ত এক বিস্তৃত প্রাঙ্গণ। এই বিরল সমন্বয়ই তাঁকে পূর্ণতা দিয়েছিল।

কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। নজরুল তাঁকে স্নেহভরে ডাকতেন ‘মতিহার’ নামে। এই সম্বোধনের মধ্যে যেন লুকিয়ে আছে এক আন্তরিক সময়ের ছবি—যেখানে কবির আবেগ, বিজ্ঞানীর প্রজ্ঞা এবং দুই মনীষীর পারস্পরিক শ্রদ্ধা মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল। তাঁদের বন্ধুত্বের কথা ভাবলে মনে হয়, সত্যিকারের জ্ঞান ও সৃজনশীলতার জগতে বিভাজনের দেয়াল খুব উঁচু হয় না; সেখানে মননের মানুষ পরস্পরকে চিনে নেন হৃদয়ের গভীরতায়।

১৯২৬ সালে কাজী আবদুল ওদুদ, সৈয়দ আবুল হোসেন ও আবুল ফজলসহ সমমনা চিন্তাবিদদের সঙ্গে তিনি গড়ে তোলেন ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’। এই সংগঠনের মধ্য দিয়ে যুক্তিবাদী চিন্তা, মুক্তবুদ্ধি ও প্রগতিশীল মননচর্চার যে ধারা বিকশিত হয়েছিল, তা ছিল তৎকালীন সমাজের জন্য এক সাহসী আহ্বান। ‘শিখা’ পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

সেই সময়ে অন্ধবিশ্বাস ও বুদ্ধিবৃত্তিক জড়তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মানুষকে চিন্তা করতে শেখানো ছিল সহজ কাজ নয়। তবু তিনি সেই কঠিন পথেই হেঁটেছেন। কারণ, তিনি জানতেন—যে সমাজ প্রশ্ন করতে ভয় পায়, সে সমাজ নতুন সত্যকে গ্রহণ করতে পারে না; যে মানুষ নিজের বিবেককে জাগ্রত রাখে না, সে মানুষ প্রকৃত অর্থে স্বাধীন হতে পারে না।

তাঁর কাছে জ্ঞান ছিল শুধু তথ্যের সমষ্টি নয়, ছিল মুক্তির শক্তি। বিজ্ঞান ছিল সত্য অনুসন্ধানের পথ, সাহিত্য ছিল অনুভবের দরজা, আর মুক্তবুদ্ধি ছিল মানুষ হয়ে ওঠার অন্যতম শর্ত।

বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হিসেবে এবং বিজ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক বহু গ্রন্থ ও প্রবন্ধের রচয়িতা হিসেবে তিনি রেখে গেছেন বহুমাত্রিক অবদান। তাঁর জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একজন মানুষ একই সঙ্গে যুক্তিবাদী ও সংবেদনশীল, বিজ্ঞানমনস্ক ও সাহিত্যপ্রেমী, জ্ঞানী ও মানবিক হতে পারেন। বরং এই সমন্বয়েই মানুষের প্রকৃত মহত্ত্ব।

উত্তরাধিকারে জ্ঞানের আলো

একজন মানুষের জীবনের সার্থকতা শুধু তাঁর নিজের অর্জনে নয়, তাঁর রেখে যাওয়া মূল্যবোধের ধারাবাহিকতায়ও। কাজী মোতাহার হোসেনের পারিবারিক উত্তরাধিকারেও আমরা সেই সৃজনশীলতার উজ্জ্বল উপস্থিতি দেখতে পাই।

তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী ড. সনজীদা খাতুন, ফাহমিদা খাতুন, মাহমুদা খাতুন এবং জনপ্রিয় লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন। তাঁর কন্যা জোবায়দা মির্জা ও ওবায়দা সাদও শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই পরিচয়গুলো কেবল একটি পরিবারের গৌরবের কথা বলে না; এগুলো মনে করিয়ে দেয়, জ্ঞান, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার পরিবেশ কত গভীরভাবে মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে। যে পরিবারে চিন্তার স্বাধীনতা, জ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সংস্কৃতির চর্চা মূল্য পায়, সেই পরিবেশ থেকে সমাজও পায় আলোকিত মানুষ।

তবে তাঁর প্রকৃত উত্তরাধিকার শুধু তাঁর পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর উত্তরাধিকার ছড়িয়ে আছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানশিক্ষায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায়, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চায় এবং মুক্তবুদ্ধির প্রতিটি আন্তরিক প্রয়াসে।

বিদায়, অথচ বিদায় নয়

১৯৮১ সালের ৯ অক্টোবর কাজী মোতাহার হোসেনের জীবনাবসান ঘটে। সেদিন থেমে গিয়েছিল তাঁর পার্থিব জীবনের পথচলা। কিন্তু একজন জ্ঞানতাপসের জীবন কি সত্যিই সেদিন শেষ হয়ে গিয়েছিল?

না, তাঁর জীবন শেষ হয়নি।

যত দিন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানচর্চা চলবে, যত দিন কোনো শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীর মনে প্রশ্ন করার সাহস জাগিয়ে তুলবেন, যত দিন কোনো গবেষক সত্যের সন্ধানে নিরলস পরিশ্রম করবেন, যত দিন কোনো মানুষ কুসংস্কারের সামনে যুক্তির প্রদীপ জ্বালাবেন—তত দিন কাজী মোতাহার হোসেনের আদর্শ নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে।

আজকের পৃথিবীতে যখন জ্ঞানের বিস্তার ঘটছে, অথচ অনেক সময় বিবেকের আলো ম্লান হয়ে পড়ছে; যখন তথ্যের প্রাচুর্যের মধ্যেও যুক্তিবোধ ও মানবিকতার সংকট অনুভূত হয়, তখন তাঁর জীবন ও দর্শনের দিকে ফিরে তাকানো আরও জরুরি হয়ে ওঠে। তিনি আমাদের শেখান, জ্ঞান অর্জন করাই শেষ কথা নয়—জ্ঞানকে সত্য, কল্যাণ ও মানবিকতার পক্ষে কাজে লাগানোই তার প্রকৃত সার্থকতা।

তাঁকে স্মরণ করা মানে শুধু অতীতের একজন কৃতী মানুষকে শ্রদ্ধা জানানো নয়; তাঁকে স্মরণ করা মানে নিজেদেরও প্রশ্ন করা—আমরা কি জ্ঞানের প্রতি সৎ? আমরা কি যুক্তিকে সম্মান করি? আমরা কি আগামী প্রজন্মের জন্য এমন কিছু রেখে যেতে পারছি, যা তাদের পথ দেখাবে?

এই প্রশ্নগুলোর মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে তাঁর প্রতি আমাদের প্রকৃত শ্রদ্ধার অর্থ।

সময়ের কাছে তিনি আজ অতীতের মানুষ, কিন্তু তাঁর কর্ম আমাদের বর্তমানের সম্পদ, আর তাঁর আদর্শ ভবিষ্যতের প্রেরণা। তাঁর জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, খ্যাতি ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, পদমর্যাদা একদিন মুছে যেতে পারে, কিন্তু মানুষের কল্যাণে নিবেদিত জ্ঞান ও মহৎ কর্ম কখনো হারিয়ে যায় না।

কাজী মোতাহার হোসেন—আপনি ছিলেন জ্ঞানের সাধক, যুক্তির অনুসারী, মুক্তবুদ্ধির পথিক এবং মানবিক মননের এক উজ্জ্বল প্রতীক।

আপনার প্রয়াণের বহু বছর পরও আপনার স্মৃতির সামনে দাঁড়িয়ে আমরা শ্রদ্ধায় নত হই। আপনার জীবন আমাদের অনুপ্রাণিত করুক জ্ঞানের পথে চলতে, সত্যকে ভালোবাসতে, যুক্তির আলোয় অন্ধকার দূর করতে এবং মানুষকে মানুষের মর্যাদায় দেখতে।

আপনার মতো মনীষীদের জীবনই আমাদের বিশ্বাস করতে শেখায়—একটি মহৎ জীবন কখনো কেবল নিজের জন্য বেঁচে থাকে না; তা বেঁচে থাকে অসংখ্য মানুষের চিন্তায়, কর্মে ও স্বপ্নে।

হে জ্ঞানতাপস, আপনার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, অকৃত্রিম ভালোবাসা ও বিনম্র প্রণতি।

আপনি নেই, কিন্তু আপনার আলোকিত উত্তরাধিকার রয়ে গেছে। সেই আলোয় আমাদের পথচলা হোক আরও সত্যনিষ্ঠ, আরও মানবিক, আরও জ্ঞানসমৃদ্ধ।

শ্রদ্ধাঞ্জলি।

Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : এ বি এম জাকিরুল হক টিটন ।

খবরওয়ালা একটি বিশ্বস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও আপডেট প্রকাশ করা হয়। রাজনীতি, জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ, শিক্ষা, খেলাধুলা, ব্যবসা, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে পাঠকদের জন্য রয়েছে নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পরিবেশন।

© ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।