সোমবার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের শ্যামনগর এলাকার একটি পরিত্যক্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন তেরখাদা উপজেলার মধুপুর এলাকার সামিউল শেখ (২৮), মাজাহারুল কাজী (২২) ও শাজাহান শরীফ (৩৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই নারী নদী পার হয়ে দিঘলিয়া উপজেলায় যাওয়ার জন্য মধুপুর ইউনিয়নের বেলেঘাট এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় নদীতে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত কয়েকজন তাকে পার করে দেওয়ার কথা বলে নৌকায় তোলেন। কিন্তু তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে নদীর কয়েকশ গজ দূরে শ্যামনগর এলাকার একটি পরিত্যক্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
খুলনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না।


