শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার তিন দিন আগে মাদরাসায় তার সঙ্গে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে শিশুটি মাদরাসায় যেতে চাইছিল না। পরিবারের সদস্যরা এর কারণ জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছু জানায়নি। পরে একপর্যায়ে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা পরিবারের কাছে খুলে বলে।
শিশুটির কাছ থেকে অভিযোগ শোনার পর বুধবার দুপুরে তার বাবা মাদরাসায় গিয়ে ভাইস প্রিন্সিপাল মুসলেউদ্দিনের কাছে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে উত্তেজিত কয়েকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, “ঘটনাটি শুনেছি। এটি খুবই দুঃখজনক। আমরা তাঁকে আটক করেছি। পরবর্তী আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল এবং ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। এ ধরনের ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তার পরিচয় ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে মারধর করাও গ্রহণযোগ্য নয়।


