নিহত তাহমিনা আক্তার শিল্পী স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুর রহমানের স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। বাড়ির কাছের একটি পুকুরে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঈশাননগর এলাকার চেয়ারম্যান বাড়ির পুকুরে এক নারীর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সেখানে আশপাশের বাসিন্দারা জড়ো হন। খবর পেয়ে ধামরাই থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, ভোররাতে গোসল করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত পুকুরের পানিতে ডুবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে পরিবারের এই বক্তব্যের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে। প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে এটি দুর্ঘটনা, নাকি অন্য কোনো কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলার সুযোগ নেই। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং পুলিশের তদন্তের ফলাফলই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যের পাশাপাশি অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে দেখছে পুলিশ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।


