ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য কল্যাণপুর ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি এশিয়ান ইউনিভার্সিটির নিজস্ব বাস। মিরপুর বেড়িবাঁধের যে স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি ঢাকা মহানগরীর শাহ আলী থানা এলাকার অন্তর্ভুক্ত।
সকালের ব্যস্ত সময়ে দুর্ঘটনাটি ঘটায় ওই এলাকায় যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিশেষ করে বেড়িবাঁধ সড়কে বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করায় এ ধরনের সংঘর্ষের ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বড় যানবাহনের সঙ্গে ছোট ও ধীরগতির যানবাহনের সংঘর্ষের ঘটনা প্রায়ই প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত রিকশার মতো যানবাহন তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষিত হওয়ায় বড় যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে যাত্রীদের গুরুতর আহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সড়কে যানবাহনের গতিনিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং চালকদের সতর্কতা এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে মিরপুর বেড়িবাঁধের এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বাস ও রিকশার সংঘর্ষ কীভাবে ঘটেছে, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। নিহতদের পরিচয় এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য জানা যেতে পারে।


