খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: ১০ই মার্চ ২০২৫, ৮:২৪ এএম
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে সারাদেশে গত দুই মাসে ৫৯৮টি মোবাইল কোর্ট অভিযান চালানো হয়। এতে ৪৬২টি ইটভাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর বর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযানে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, স্টিল মিল, শব্দ দূষণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য নির্গমন, সীসা/ব্যাটারি রিসাইক্লিং কারখানা, জলাশয় ভরাট, টায়ার পাইরোলাইসিস, চারকোল কারখানা ও খোলা অবস্থায় নির্মাণ সামগ্রী রাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই অভিযানে ১ হাজার ৩৬৩টি মামলা করা হয়। জরিমানা হিসেবে ১৯ কোটি ৭৯ লাখ ৪৭ হাজার ৩শত টাকা আদায় করা হয়।
এছাড়া, ৩০৫টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। ১৫৭টি ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ৬০টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। ৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ ট্রাক সীসা/ব্যাটারি গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করে কারখানা বন্ধ করা হয়।
এদিকে, ৯ মার্চ ২০২৫ তারিখে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে ঢাকার হাতিরঝিল, মগবাজার, আদাবর, আফতাবনগর, বাড্ডা ও ধানমন্ডি এলাকায় ৪টি মোবাইল কোর্ট অভিযান চালানো হয়। এতে ১১টি মামলায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে সতর্ক করা হয় এবং নির্মাণ সামগ্রী সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই দিনে নারায়ণগঞ্জে কঠিন বর্জ্য বিধিমালা ২০২১ অনুসারে রেডিমিক্স কারখানার বিরুদ্ধে ১টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ৩টি মামলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, নীলফামারী, ঝিনাইদহ, ভোলা, সিরাজগঞ্জ, মেহেরপুর, মৌলভীবাজার, পিরোজপুর, গাইবান্ধা, শরীয়তপুর, বরগুনা, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া ও শেরপুর জেলায় ২০টি মোবাইল কোর্ট অভিযান চালানো হয়।
এই অভিযানে ১৯টি মামলায় ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ২২টি ইটভাটার কিলন ভেঙে, পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ও কাঁচা ইট ধ্বংস করে কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়। ৩টি ইটভাটা বন্ধের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে বলেও জানানো হয়।
খবরওয়ালা/জেআর
মন্তব্য