বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এই শুল্ক নিয়ে অর্থ উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে।
রবিবার বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বৈঠকে বাণিজ্য উপদেষ্টা, পরিকল্পনা উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতা উপস্থিত রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস প্রকাশিত একটি তালিকায় দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর বাংলাদেশের শুল্ক ৭৪ শতাংশ। আর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। আগে বাংলাদেশি পণ্য গড়ে ১৫.৬২ শতাংশ শুল্ক দিয়ে মার্কিন বাজারে প্রবেশ করত।
শুধু বাংলাদেশই নয়, বহু দেশেই যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে। এশিয়ার অন্য দেশগুলোও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের মুখে পড়েছে।
হোয়াইট হাউসের নথি অনুযায়ী, ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। উচ্চ শুল্কের মুখে পড়া অন্যান্য দেশের মধ্যে রয়েছে জাপান (২৪ শতাংশ), দক্ষিণ কোরিয়া (২৫ শতাংশ), ভারত (২৬ শতাংশ), কম্বোডিয়া (৪৯ শতাংশ) ও তাইওয়ান (৩২ শতাংশ)। চীনের ওপর নতুন করে ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
শুল্কহার নিয়ে শনিবার (৫ এপ্রিল) জরুরি বৈঠক করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওই বৈঠক শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
খবরওয়ালা/আরডি



