দুই উপদেষ্টার সাবেক এপিএস ও পিও’র দুর্নীতির খোঁজে গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রবিবার (২৭ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানান, গণমাধ্যমে আসা দুই উপদেষ্টার সাবেক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, দুজন উপদেষ্টার এপিএস, পিও- যাদের কথা আপনারা বলছেন সে বিষয়ে দুদক আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী যে ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হয়, সেটি আমরা করবো।
এর আগে সকালে উপদেষ্টাদের এপিএস ও পিও’র দুর্নীতি অনুসন্ধান শুরু করার দাবি নিয়ে দুদকে আসে যুব অধিকার পরিষদ। মার্চ টু দুদক কর্মসূচি নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে সংগঠনের নেতাকর্মী দুদকে আসেন। পরে দলটির পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল দুদকে স্মারকলিপি জমা দেয়।
এ বিষয়ে দুদক মহাপরিচালক বলেন, এটি (দুই উপদেষ্টার এপিএস ও পিও’র দুর্নীতি) আমাদের নজরে এসেছে। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। দুদক এই জাতীয় যে কোনো অভিযোগের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। আমরা এ নিয়ে কাজ করছি। আমাদের গোয়েন্দা ইউনিট এ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে অগ্রগতি শিগগির জানতে পারবেন।
এর আগে গত ২২ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন জারি করে যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২২ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও উপদেষ্টা তাকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেন ৮ এপ্রিল। এর আগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের পিও ছাত্র প্রতিনিধি তুহিন ফারাবিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
খবরওয়ালা/টিএ



