ইসরায়েলের হাইফা শহরে দিমিত্রি কোহেন নামের একজনকে ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ ও শিন বেত নিরাপত্তা সংস্থা। চলতি সপ্তাহেই তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও শিন বেত।
কোহেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ইসরায়েলি নাগরিকদের বাড়িঘর এবং আশপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করে ছবি তুলতেন এবং সেগুলো ইরানি এজেন্টকে পাঠাতেন। প্রতিটি কাজে তাকে ৫০০ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি কয়েক হাজার ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি পেয়েছিলেন বলেও জানানো হয়েছে। গুপ্তচরবৃত্তির জন্য তিনি আলাদা একটি ফোন ব্যবহার করতেন।
হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, কোহেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পুত্রবধূ হতে যাওয়া আমিত ইয়ারদেনিকেও টার্গেট করেছিলেন। নেতানিয়াহুর ছেলে আভনের সাথে ইয়ারদেনির বিয়ে গত সপ্তাহে হওয়ার কথা ছিল, তবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।
এক মাস আগে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগেই, পুলিশের কোস্টাল ডিস্ট্রিক্টের তদন্ত ও গোয়েন্দা ইউনিট এবং শিন বেতের যৌথ অভিযানে কোহেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও শিন বেত জানিয়েছে, আজ সকালে কোহেনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউটরের একটি ঘোষণাপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। হাইফা জেলা অ্যাটর্নি অফিস শিগগিরই আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করবে বলে জানা গেছে।
কোহেন শুধু একাই নন—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানি এজেন্টদের কাছে গোপন তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগে আরও বেশ কয়েকজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ইয়েনেট জানিয়েছে, সম্প্রতি শারন এলাকার ১৯ বছর বয়সী এক যুবককেও তেহরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে আটক করা হয়েছে। তিনি যুদ্ধ চলাকালে ইরানি এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে গোপন তথ্য সরবরাহ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিন বেত এই মামলার তদন্ত করছে। তবে পুলিশ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য এখনো করেনি।
খবরওয়ালা/এন



