গাজায় যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নতুন করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৭ জুন) তিনি বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। খবর এএফপির।
সাংবাদিকরা ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, আমরা মনে করি, আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে যাচ্ছি।
হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে কঙ্গো-রুয়ান্ডা চুক্তি উদ্যাপনের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, আমার মনে হয় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি হতে যাচ্ছে। এটার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের সঙ্গে মাত্রই কথা হল। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি যুদ্ধবিরতি পেতে যাচ্ছি বলে আমরা মনে করছি। তবে কাদের সঙ্গে কথা হয়েছে তা বলেননি তিনি।
এদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস বলছে, তারা যুদ্ধ বন্ধের যে কোনো চুক্তির অধীনে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দিয়ে দিতে আগ্রহী। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধ তখনই থামবে যখন হামাস নিরস্ত্র ও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কিন্তু হামাস অস্ত্র সমর্পণে রাজি নয়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় অব্যাহতভাবে চলা ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা ৫৬,৩৩১ পৌঁছেছে। আর আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৩২ জন ফিলিস্তিনি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এদিন তারা ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায়।
হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য মধ্যস্থতাকারী দেশের মধ্যস্থতায় গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
কিন্তু বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। দ্বিতীয় দফার এ অভিযানে গত আড়াই মাসে গাজায় নিহত হয়েছেন ৬ হাজার ৮ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন আরও ২০ হাজার ৫৯১ জন।
খবরওয়ালা/এন



