খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ভারতের লাদাখে রাজ্য মর্যাদা এবং সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবিকে ঘিরে চলমান বিক্ষোভে অন্তত চার জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়াও বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) লেহ শহরে ব্যাপক এই বিক্ষোভে ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
লাদাখের দাবি ঘিরে সরকারের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি চললেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, লেহ অ্যাপেক্স বডি এবং কারগিল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্সের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছিল। তবে কিছু রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তি এই অগ্রগতিকে নস্যাৎ করতে চেয়েছেন।
মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক জনগণকে উসকে দিয়েছেন এবং নেপালের ‘জেন-জি’ আন্দোলন ও আরব বসন্তের উদাহরণ টেনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন।
সহিংসতার ঘটনায় দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা বিজেপি কার্যালয় এবং হিল কাউন্সিলের সদর দপ্তরে পাথর নিক্ষেপ করে। পরে তারা একটি নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি ও আরও কয়েকটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিজেপির কার্যালয়ের আসবাবপত্র এবং নথিপত্রও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এসময় অন্তত ৩০ জন পুলিশ ও সিআরপিএফ সদস্য আহত হন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আত্মরক্ষার্থে পুলিশকে গুলি চালাতে হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি—লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা প্রদান এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তি। এই দাবিতে লেহ অ্যাপেক্স বডি এবং কারগিল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স গত চার বছর ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসেছে। অন্যদিকে, অনশনরত জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুক তার ১৫ দিনের অনশন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
খবরওয়ালা/এফএস