ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, ৩ বছর পর আসামি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জে তিন বছর আগে ঘটানো মাসুম হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি মো. রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। সোমবার (২৪ নভেম্বর) আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার কায়েমপুর ওয়াপদা পুল এলাকায় তাকে আটক করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় মাসুম হাওলাদার প্রতিদিনের মতো তার বাসা থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন।

রাতে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন, কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। দুই দিন পর ৭ নভেম্বর সকালে বন্দর থানার কুশিয়ারি এলাকায় একটি খালের ডোবার পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায়। বড় ভাই লাশটি শনাক্ত করেন।

আসামিরা মাসুম হাওলাদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ ফেলে রেখে চলে যায়।

পিবিআই জানায়, মামলাটি প্রথমে বন্দর থানায় নথিভুক্ত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরোলেও হত্যার কারণ এবং আসামিদের পরিচয় পরিষ্কার হচ্ছিল না। পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়।

তদন্তের দায়িত্ব পান পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি, মাঠ তদন্ত এবং গোপন সূত্র মিলিয়ে আসামি মো. রানা, সোহেল এবং অটো রানা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেন। তিন বছর ধরে পলাতক রানা এলাকায় ছদ্ম পরিচয়ে চলাফেরা করছিল। শেষ পর্যন্ত পিবিআই নারায়ণগঞ্জ ইউনিট প্রধান পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

তদন্তে পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, আসামির জবানবন্দি মামলার অগ্রগতিকে আরো স্পষ্ট করবে।

মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের ধরতে পিবিআইয়ের দল মাঠে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

খবরওয়ালা /এসএস

Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর

খবরওয়ালা একটি বিশ্বস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও আপডেট প্রকাশ করা হয়। রাজনীতি, জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ, শিক্ষা, খেলাধুলা, ব্যবসা, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে পাঠকদের জন্য রয়েছে নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পরিবেশন।

© ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।