রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় শ্রদ্ধেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এম. রফিকুল ইসলাম স্যারকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন, উষ্ণ শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।
অধ্যাপক এম. রফিকুল ইসলাম শুধু একজন বরেণ্য শিক্ষাবিদ নন—তিনি একজন অর্থনীতিবিদ, গবেষক, প্রশাসক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণকারী একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর অধ্যাপনা করেছেন।
শিক্ষাজীবন ও একাডেমিক অঙ্গনে দীর্ঘ ও গৌরবময় পথচলার পাশাপাশি তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৪ সালের ৩ এপ্রিল তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত এ দায়িত্বে ছিলেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্ক আজও সক্রিয়—২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত অর্থনীতি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পঞ্চম দ্বিবার্ষিক সম্মিলনেও তাঁকে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দেখা যায়।
একজন শিক্ষক যখন রাষ্ট্রীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন সেই দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয় তাঁর দীর্ঘদিনের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নৈতিকতার প্রত্যাশা। আর রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক উত্তরাঞ্চলের কৃষি, কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক। ফলে তাঁর মতো দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি আরও জনমুখী, কৃষিবান্ধব ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে—এটাই প্রত্যাশা।এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রেীয় ও বিশেষায়িত ব্যাংকে একজন প্রবীণ অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদের আগমন প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে বিশ্বাস করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এম. রফিকুল ইসলাম স্যার,
আপনার দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের আলোয় নতুন দায়িত্ব আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখুক—এই প্রত্যাশা রইল।
নতুন দায়িত্বের সফলতা, সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।
স্যারের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিক অভিনন্দন ও নিরন্তর শুভকামনা।


