বাংলাদেশে নিযুক্ত নবনির্বাচিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এদিন তিনি মন্ত্রণালয়ে এসে চিফ অব প্রটোকল নূরুল ইসলামের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন। পরে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠক করবেন।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন তার স্ত্রী মিসেস ডিয়ান ডাও-কে নিয়ে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছান। তিনি ঢাকায় নিযুক্ত ১৯তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে পদাধিকার গ্রহণ করছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে তিনি দেশের প্রধান কর্মকর্তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক দায়িত্ব শুরু করবেন।
নতুন রাষ্ট্রদূতের প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা, এবং মার্কিন সহায়তা ও কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ক্রিস্টেনসেনের নিযুক্তি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিচের টেবিলে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণ সম্পর্কিত তথ্য সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| রাষ্ট্রদূত | ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন |
| স্ত্রীর নাম | ডিয়ান ডাও |
| নিযুক্তি সংখ্যা | ১৯তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত |
| ঢাকায় আগমনের তারিখ | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ |
| পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিতি | ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ |
| রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ |
| প্রধান বৈঠক | পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে |
| আলোচ্য বিষয় | কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা, জলবায়ু, শিক্ষা, প্রযুক্তি |
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে পরিকল্পনা করছেন। তিনি কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি করবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ক্রিস্টেনসেনের নিযুক্তি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে এবং উদীয়মান প্রযুক্তি, শিক্ষাগত ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার নিযুক্তি দুটি দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক হবে।
নির্ধারিত বৈঠক ও আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করবেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল ও কার্যকর করে তুলবেন।



