আইয়ুব বাচ্চু: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের এক কিংবদন্তি

‘এই রূপালি গিটার ফেলে একদিন চলে যাব দূরে বহুদূরে…’

গানের কথাগুলো যেন আজও নতুন করে মনে করিয়ে দেয় এক কিংবদন্তির বিদায়ের কথা। যে মানুষটি গিটারের সুরে নিজের চলে যাওয়ার কথা গেয়েছিলেন, একদিন সত্যিই তিনি চলে গেলেন না-ফেরার দেশে। রেখে গেলেন প্রিয় রূপালি গিটার, অসংখ্য কালজয়ী গান আর কোটি শ্রোতার হৃদয়ে গেঁথে থাকা এক অনন্য সংগীতজগৎ। সময়ের স্রোত বয়ে চলেছে, বদলে যাচ্ছে সংগীতের ধরন, আসছে নতুন প্রজন্মের শিল্পী; কিন্তু আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠ ও গিটারের সুর আজও বাঙালির আবেগ, ভালোবাসা ও স্মৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি শুধু একজন কণ্ঠশিল্পী ছিলেন না। তিনি ছিলেন গিটারবাদক, সুরকার, গীতিকার, সংগীত পরিচালক এবং বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম পথপ্রদর্শক। তাঁর হাত ধরে বাংলা রক সংগীত পেয়েছে স্বতন্ত্র প্রকাশভঙ্গি, নতুন মাত্রা ও বিপুল জনপ্রিয়তা। সংগীতের প্রতি গভীর ভালোবাসা, নিরলস সাধনা এবং নিজস্ব সুরের ভাষা তৈরির অদম্য আকাঙ্ক্ষা তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল কিংবদন্তির আসনে।

শৈশব থেকে সংগীতের পথে

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তাঁর ছিল গভীর আকর্ষণ। বিশেষ করে গিটারের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছিল। ধীরে ধীরে গিটার হয়ে ওঠে তাঁর আত্মপ্রকাশের প্রধান মাধ্যম। এই বাদ্যযন্ত্রের সুরে তিনি খুঁজে পেতেন নিজের অনুভূতি প্রকাশের ভাষা।

কৈশোর থেকেই ব্যান্ড সংগীতের সঙ্গে তাঁর পথচলা শুরু হয়। সংগীতজীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি ‘ফিলিংস’ ও ‘সোলস’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এসব ব্যান্ডে কাজ করার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের প্রতিভা বিকশিত করার সুযোগ পান এবং গিটারবাদক ও কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। তাঁর গিটার বাজানোর ধরন, কণ্ঠের স্বাতন্ত্র্য এবং সুর নির্মাণের দক্ষতা ক্রমেই তাঁকে সংগীতাঙ্গনে আলাদা অবস্থান এনে দেয়।

তবে নিজের সংগীতভাবনা ও সৃজনশীলতাকে আরও স্বাধীনভাবে প্রকাশ করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই তিনি ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন এলআরবি (LRB)। ব্যান্ডটির পূর্ণরূপ ছিল লাভ রান্স ব্লাইন্ড (Love Runs Blind)। এই ব্যান্ডকে কেন্দ্র করেই আইয়ুব বাচ্চুর সংগীতজীবন নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যায়। বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসেও সূচিত হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

এলআরবি ও বাংলা রক সংগীতের নতুন অধ্যায়

এলআরবির মাধ্যমে আইয়ুব বাচ্চু বাংলা রক সংগীতকে জনপ্রিয়তার নতুন পর্যায়ে নিয়ে যান। তাঁর গানে ছিল রক সংগীতের শক্তি, আধুনিক গিটার অ্যারেঞ্জমেন্ট, মেলোডির মাধুর্য এবং কথার গভীরতা। তিনি প্রমাণ করেছিলেন, বাংলা ভাষায়ও রক সংগীতের শক্তিশালী প্রকাশ সম্ভব এবং সেই সংগীত মানুষের ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে যেতে পারে।

মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি ছিল প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। গিটার হাতে তিনি যখন পরিবেশনায় মগ্ন হতেন, তখন দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে তৈরি হতো অন্য রকম আবেশ। কখনো দ্রুতগতির গিটার সোলো, কখনো আবেগঘন সুরের বিস্তার, আবার কখনো কণ্ঠের গভীরতা দিয়ে তিনি শ্রোতাদের মুগ্ধ করতেন। তাঁর পরিবেশনায় কেবল সংগীতের দক্ষতাই নয়, শিল্পীর ব্যক্তিগত আবেগও স্পষ্ট হয়ে উঠত।

আইয়ুব বাচ্চুর গিটারের বিশেষত্ব ছিল এর স্বতন্ত্র সুরভঙ্গি। তিনি গিটারকে শুধু একটি বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেননি; বরং এটিকে গানের আবেগ প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর গিটারের সুর কখনো প্রেমের আকুলতা, কখনো বিচ্ছেদের বেদনা, কখনো জীবনের প্রতি গভীর টান প্রকাশ করেছে। এ কারণেই তাঁর সংগীতের সঙ্গে শ্রোতাদের সম্পর্ক কেবল বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি।

কালজয়ী গানে প্রজন্মের আবেগ

আইয়ুব বাচ্চুর অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের মুখে মুখে ফেরে। ‘চলো বদলে যাই’, ‘সেই তুমি’, ‘রূপালি গিটার’, ‘হাসতে দেখো, গাইতে দেখো’, ‘ঘুম ভাঙা শহরে’ ও ‘মাধবী’—এমন অনেক গান বাংলা সংগীতের স্মরণীয় সৃষ্টি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

‘সেই তুমি’ গানে প্রেম, স্মৃতি ও বিচ্ছেদের যে আবেগ ফুটে উঠেছে, তা বহু শ্রোতার ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গে মিশে গেছে। সম্পর্কের দূরত্ব কিংবা হারিয়ে যাওয়া সময়ের স্মৃতি মনে পড়লে আজও অনেকেই ফিরে যান এই গানের কাছে। অন্যদিকে ‘চলো বদলে যাই’ যেন জীবনের পরিবর্তনকে গ্রহণ করার আহ্বান জানায়। গানটির কথায় ও সুরে রয়েছে নতুনভাবে পথচলার প্রেরণা।

‘রূপালি গিটার’ আইয়ুব বাচ্চুর সংগীতপরিচয়ের সঙ্গে বিশেষভাবে জড়িয়ে আছে। গানটির শিরোনামই যেন তাঁর শিল্পীসত্তার প্রতীক হয়ে উঠেছে। রূপালি গিটার তাঁর কাছে কেবল একটি বাদ্যযন্ত্রের নাম ছিল না; এটি ছিল তাঁর দীর্ঘ সাধনা, সৃষ্টিশীলতা এবং সংগীতের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি।

তাঁর গানের আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য ছিল আবেগের বৈচিত্র্য। প্রেমের গভীর আকুলতা থেকে শুরু করে বিরহের দীর্ঘশ্বাস, নিঃসঙ্গতার অনুভূতি কিংবা জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি—বিভিন্ন বিষয় তাঁর গানে স্বাভাবিকভাবে উঠে এসেছে। শ্রোতারা নিজেদের জীবনের নানা মুহূর্তে তাঁর গানের মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন পরিচিত অনুভূতি।

এ কারণেই তাঁর গান কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আটকে থাকেনি। যাঁরা তাঁর জনপ্রিয়তার সময়ে বড় হয়েছেন, তাঁদের কাছে এই গানগুলো স্মৃতির অংশ। আবার নতুন প্রজন্মের শ্রোতারাও ডিজিটাল মাধ্যমে তাঁর গান শুনে আবিষ্কার করছেন বাংলা রক সংগীতের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

তরুণ সংগীতশিল্পীদের অনুপ্রেরণা

আইয়ুব বাচ্চুর অবদান কেবল জনপ্রিয় কয়েকটি গান কিংবা একটি সফল ব্যান্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের বিকাশে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গিটারকে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে যে আগ্রহ ও স্বপ্ন তৈরি হয়েছিল, তার পেছনে তাঁর প্রভাব অস্বীকার করার উপায় নেই।

তাঁর বাজানো দেখে বহু তরুণ গিটার হাতে তুলে নিতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। কেউ তাঁর মতো গিটার বাজাতে চেয়েছেন, কেউ তাঁর গান গেয়ে সংগীতচর্চা শুরু করেছেন, আবার কেউ নিজের ব্যান্ড গড়ার স্বপ্ন দেখেছেন। তাঁর সংগীতপ্রয়াস তরুণদের শিখিয়েছে, জনপ্রিয়তার পাশাপাশি নিজস্বতা ধরে রাখাও একজন শিল্পীর জন্য জরুরি।

দেশের গণ্ডি পেরিয়েও আইয়ুব বাচ্চু বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের পরিচিতি তুলে ধরেছেন। তাঁর কণ্ঠ, গিটার এবং মঞ্চ পরিবেশনা দেশি সংগীতকে বৃহত্তর শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে। একক শিল্পী হিসেবেও তিনি অর্জন করেছেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তাঁর সৃষ্টিতে যেমন ছিল বাণিজ্যিক সাফল্যের উপাদান, তেমনি ছিল নিজস্ব সংগীতভাষা গড়ে তোলার চেষ্টা।

দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময়ের সংগীতযাত্রায় তিনি বারবার নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। সংগীতের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা এবং নতুন কিছু করার আগ্রহ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে বাংলা রক সংগীতের একটি স্বতন্ত্র ধারা শক্তিশালী হয়েছে, যা পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।

শেষ কনসার্টের দুই দিন পর চিরবিদায়

জীবনের শেষ অধ্যায়টি ছিল অত্যন্ত আকস্মিক। ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর রংপুর জিলা স্কুল মাঠে একটি কনসার্টে গান পরিবেশন করেন আইয়ুব বাচ্চু। সেই পরিবেশনাই তাঁর জীবনের শেষ কনসার্ট হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

সেদিনও দর্শক-শ্রোতাদের সামনে তাঁর পরিচিত কণ্ঠ ও গিটারের সুর ধ্বনিত হয়েছিল। মঞ্চে শিল্পী হিসেবে তাঁর উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক, আর শ্রোতারা উপভোগ করেছিলেন তাঁদের প্রিয় সংগীতশিল্পীর পরিবেশনা। কিন্তু কেউই হয়তো ভাবেননি, মাত্র দুই দিন পরই তাঁকে হারানোর সংবাদ শুনতে হবে।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকায় হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মাত্র ৫৬ বছর বয়সে মারা যান আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে দেশের সংগীতাঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। সহশিল্পী, সংগীতপ্রেমী ও অসংখ্য ভক্তের কাছে খবরটি ছিল গভীর বেদনার। যাঁর গান বহু মানুষের জীবনের আনন্দ-বেদনার সঙ্গী ছিল, তাঁর চলে যাওয়া যেন একটি বড় শূন্যতা তৈরি করেছিল।

তাঁর মৃত্যু ছিল বাংলাদেশের সংগীতজগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। কারণ, আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন এমন একজন শিল্পী, যাঁর সৃষ্টির সঙ্গে শ্রোতাদের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল দীর্ঘদিনের অভ্যাস, ভালোবাসা ও স্মৃতির মধ্য দিয়ে। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া গান কিংবা গিটারের সুর অনেকের কাছে জীবনের নির্দিষ্ট সময়ের স্মারক হয়ে আছে।

শিল্পীর বিদায়, সুরের নয়

মানুষের জীবন সীমিত, কিন্তু শিল্পের স্থায়িত্ব অনেক দীর্ঘ। একজন শিল্পী পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর সৃষ্টি মানুষের অনুভূতিতে বেঁচে থাকতে পারে বছরের পর বছর। আইয়ুব বাচ্চুর জীবন ও সংগীত সেই সত্যেরই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

আজও কোথাও ‘সেই তুমি’ বেজে উঠলে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসে। ‘চলো বদলে যাই’ শুনলে মনে জাগে নতুন করে পথচলার আকাঙ্ক্ষা। আর ‘রূপালি গিটার’-এর সুরে মিশে থাকে এক কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি ভালোবাসা ও হারানোর বেদনা। তাঁর গানগুলো যেন বারবার মনে করিয়ে দেয়, সংগীত কেবল শব্দ ও সুরের সমষ্টি নয়; এটি মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অনুভূতির ভাষা।

আইয়ুব বাচ্চুর সংগীত নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যাওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর উত্তরাধিকারও এগিয়ে চলেছে। যাঁরা তাঁর কনসার্ট দেখেননি, তাঁর সঙ্গে একই সময়ে বড় হয়ে ওঠেননি, তাঁরাও গান শুনে এই শিল্পীর সৃজনশীলতার সঙ্গে পরিচিত হতে পারছেন। এভাবেই একজন শিল্পীর কাজ সময়ের সীমানা অতিক্রম করে নতুন শ্রোতার কাছে পৌঁছায়।

তাঁর বিদায়ের গান আজ তাই অন্য রকম অর্থ বহন করে। তিনি চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর সৃষ্টির জগৎ থেমে যায়নি। গিটারের তারে যে আবেগ তিনি ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা আজও শ্রোতার হৃদয়ে অনুরণিত হয়। তাঁর কণ্ঠের গান, সুরের বৈশিষ্ট্য এবং সংগীতের প্রতি নিবেদন তাঁকে বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে স্থায়ী আসন দিয়েছে।

আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের এক অনন্য প্রতিভা। তাঁর কণ্ঠ, গিটার, সুর ও সৃষ্টিশীলতা বাংলা রক সংগীতকে সমৃদ্ধ করেছে। তিনি প্রমাণ করে গেছেন, নিজস্ব শিল্পীসত্তা ও আন্তরিক সাধনা দিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেওয়া যায়।

আজ এই কিংবদন্তি শিল্পীর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁর জীবন ও কর্ম সংগীতপ্রেমীদের কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রিয় আইয়ুব বাচ্চু।

আপনি চলে গেছেন দূরে, বহুদূরে। কিন্তু আপনার গান আমাদের হৃদয় থেকে কোনো দিন দূরে যাবে না। আপনার রূপালি গিটারের সুর বাঙালির ভালোবাসা, সংগীতচর্চা ও স্মৃতির ভেতর দিয়ে বেঁচে থাকবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। আপনার কণ্ঠ থেমে গেছে, কিন্তু আপনার সংগীতের যাত্রা আজও চলমান।

Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : এ বি এম জাকিরুল হক টিটন ।

খবরওয়ালা একটি বিশ্বস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও আপডেট প্রকাশ করা হয়। রাজনীতি, জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ, শিক্ষা, খেলাধুলা, ব্যবসা, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে পাঠকদের জন্য রয়েছে নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পরিবেশন।

© ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।