ইরান ও হামাসের সম্পর্ক নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ। রবিবার (৬ এপ্রিল) তিনি একটি গোপন নথি প্রকাশ করে জানান, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইরানের সরাসরি যোগাযোগ ছিল এবং হামাস ইসরায়েল ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ইরানের কাছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার অর্থসাহায্য চেয়েছিল। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনাল ও জেরুজালেম পোস্ট।
প্রকাশিত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও মুহাম্মদ দেইফ ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে ছিলেন। তারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার আগে অথবা তার কিছু আগে এই অর্থ দাবি করেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “ইরান হলো শয়তানের কেন্দ্র। তারা গাজা, লেবানন, সিরিয়া এবং পশ্চিম তীরসহ বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসবাদকে অর্থায়ন ও ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ইসরায়েলকে ধ্বংস করা।”
তিনি আরও জানান, “ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী না হতে পারে, সে জন্য ইসরায়েল সম্ভাব্য সবকিছু করবে। সেই সঙ্গে ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ওপর হামলাও অব্যাহত থাকবে।”
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর, হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের হামলা চালায়। সেই হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ১,২০০ জন নিহত হন এবং দুই শতাধিক মানুষ জিম্মি করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় সেদিনই গাজায় পাল্টা অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
এরপর থেকে চলমান যুদ্ধে গাজার অবস্থা ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত গাজায় ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লক্ষাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। বিশাল অংশের অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং মানবিক পরিস্থিতি চরম দুর্দশায় নেমে এসেছে।
খবরওয়ালা/জেআর



