কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলে আজ দুপুরের মধ্যে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সম্ভাব্য এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৫টায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানায়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুর ১টার মধ্যে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে সাময়িকভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতি সাধারণত অল্প সময়ের জন্য তৈরি হলেও এর প্রভাবে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে বজ্রবৃষ্টি ও হঠাৎ দমকা হাওয়া শুরু হলে নদীতে থাকা ছোট ও মাঝারি নৌযানের জন্য পরিস্থিতি দ্রুত প্রতিকূল হয়ে উঠতে পারে।
এ কারণে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নদীবন্দরকেন্দ্রিক এই সতর্কতা মূলত সম্ভাব্য ঝড়ো আবহাওয়ার বিষয়ে নৌযান ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার বার্তা দেয়।
আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনের সময় আকাশে মেঘের ঘনত্ব দ্রুত বাড়তে পারে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রপাতের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, মাঝি ও যাত্রীদের স্থানীয় আবহাওয়ার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সতর্কতা সংকেত মেনে চলার প্রয়োজন রয়েছে।
কুমিল্লা ও সিলেট—দুই অঞ্চলেই নদীপথের পাশাপাশি জনজীবনেও সাময়িকভাবে আবহাওয়ার প্রভাব পড়তে পারে। ঝোড়ো হাওয়ার সময় খোলা জায়গা, নদীর তীর কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আপাতত সতর্কতার আওতায় রয়েছে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলো। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্ক সংকেতও পরিবর্তিত হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা ও নদীপথে চলাচলকারীদের সর্বশেষ আবহাওয়ার তথ্য অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


