জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. জোবায়েদ হোসেন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বংশাল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তাঁরা হলেন—মাহির রহমান (১৯), জোবায়েদের ছাত্রী (১৯) ও ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২০)। তিনজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বংশাল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশরাফ হোসেন জানান, পরিকল্পিতভাবে জোবায়েদকে হত্যার কথা তাঁরা পুলিশের কাছে ও আদালতে স্বীকার করেছেন।
পুলিশ জানায়, জোবায়েদ ওই ছাত্রীকে প্রায় এক বছর ধরে প্রাইভেট পড়াতেন এবং তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর আগে মেয়েটির সম্পর্ক ছিল মাহিরের সঙ্গে। এই ত্রিভুজ প্রেমের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।
অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, “মেয়েটির পরিকল্পনা অনুযায়ী জোবায়েদকে ডেকে এনে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।” তিনি জানান, “বরগুনার মিন্নির ঘটনার সঙ্গে অনেকটা মিল রয়েছে।”
পুলিশের তথ্যমতে, ঘটনার সময় ছাত্রীটি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং নিহত জোবায়েদের শেষ কথা ছিল—“আমাকে বাঁচাও।”
তিনজনের স্বীকারোক্তির পর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে, আসামিদের আদালতে হাজির করার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
খবরওয়ালা/আশ



