সরকারের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকায় দুর্গাপূজার জন্য ২০ ও ২১ অক্টোবর ছুটি নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে ২০ অক্টোবর মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। নতুন করে ২২ অক্টোবরও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি। সরকারি ছুটির বর্ষপঞ্জিতেও দুর্গাপূজার মূল ছুটির সময় ২০ ও ২১ অক্টোবর উল্লেখ রয়েছে।
অর্থাৎ, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে ২৪ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সরকারি অফিস-আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে প্রথম তিন দিন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ছুটি এবং শেষ দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে গণ্য হবে।
ছুটির দিনগুলো ভিন্নভাবে সাজানো হওয়ায় এবার চাকরিজীবীদের জন্য পূজার সময় বাড়তি অবসর কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা কর্মস্থলের বাইরে পরিবার বা স্বজনদের সঙ্গে পূজা উদ্যাপন করতে চান, তাদের জন্য টানা ছুটির এই ব্যবস্থাটি সময় ব্যবস্থাপনায় সুবিধা দেবে। তবে জরুরি সেবা, হাসপাতাল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ যেসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা ছুটির আওতার বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালায়, তাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।
সরকারি ছুটির পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে ধর্মীয় উৎসব পালনের প্রয়োজন অনুযায়ী তারা নির্ধারিত নিয়মে ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।
ছুটির হিসাব এক নজরে
| তারিখ | বার | ছুটির ধরন | উপলক্ষ |
|---|---|---|---|
| ২০ অক্টোবর | মঙ্গলবার | নির্বাহী আদেশে ছুটি | মহানবমী |
| ২১ অক্টোবর | বুধবার | সাধারণ ছুটি | বিজয়া দশমী |
| ২২ অক্টোবর | বৃহস্পতিবার | নির্বাহী আদেশে ছুটি | দুর্গাপূজা উপলক্ষে অতিরিক্ত ছুটি |
| ২৩ অক্টোবর | শুক্রবার | সাপ্তাহিক ছুটি | শুক্রবার |
| ২৪ অক্টোবর | শনিবার | সাপ্তাহিক ছুটি | শনিবার |
২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে অন্যান্য ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ছুটির ব্যবস্থাও আলাদাভাবে নির্ধারিত হয়েছে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে নতুন নির্বাহী আদেশে ২২ অক্টোবরের ছুটি যুক্ত হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের বিরতি নিশ্চিত হলো।
দুর্গাপূজা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন হয়ে থাকে। সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক বন্ধ যুক্ত হওয়ায় এবার উৎসবের সময়টি অনেকের জন্য তুলনামূলক দীর্ঘ অবকাশে পরিণত হবে।


