বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নৌপুলিশের ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন। তিনি জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পাওয়ার পর নৌপুলিশের একটি দল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদে অভিযান চালায়। এ সময় রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে তাহসিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন নৌপুলিশের কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাহসিন সপরিবারে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। তাঁর বাবার নাম কে এম এনায়েত হেলাল। মঙ্গলবার তিনি নিখোঁজ হন। এরপর তাঁর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন তুরাগ নদ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তবে কীভাবে তাহসিনের মৃত্যু হয়েছে, তিনি কী পরিস্থিতিতে নদে গেলেন কিংবা তাঁর মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নদ থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং পুলিশের পরবর্তী অনুসন্ধানের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।


