মাগুরায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় আরও ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত টানা শুনানিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এই সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
সাক্ষ্যদাতাদের মধ্যে নিহত শিশুটির বোন ও কয়েকজন প্রতিবেশী ছিলেন। এ নিয়ে মামলার মোট ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হলো। প্রথম দিনে ২ জন এবং দ্বিতীয় দিনে ৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মনিরুল ইসলাম জানান, আগামীকাল বুধবার (৩০ এপ্রিল) মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে মাগুরা ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
সাক্ষ্যগ্রহণের সময় মামলার চার আসামিকে ঝিনাইদহ জেলা কারাগার থেকে এনে আদালতে হাজির করা হয়। তারা হলেন শিশুটির বোনের শ্বশুর, শাশুড়ি, স্বামী ও ভাশুর। গত ২৩ এপ্রিল তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
এ মামলায় আসামি পক্ষের আইন সহায়তা দিচ্ছে মাগুরা লিগ্যাল এইড, এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন সোহেল আহম্মেদ।
প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা সদরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
খবরওয়ালা/আরডি



