তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজার আগেই রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় জনতার ঢল নেমেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা মানুষ সকালে থেকেই এভিনিউতে জমায়েত শুরু করেছে। সকাল থেকে কুয়াশাজড়ানো তীব্র শীত উপেক্ষা করেও হাজারো মানুষ খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হচ্ছে।
জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বুধবার দুপুর ২টায়। তবে সকাল থেকেই ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে সারি সারি গাড়ি ঢাকায় প্রবেশ করছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষ গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটে মানিক মিয়া এভিনিউতে রওনা দিচ্ছেন। জনতার চোখে-মুখে একজন আপসহীন দেশনেত্রীকে হারানোর বেদনা স্পষ্ট।
জানাজার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ পর্যন্ত মরদেহবাহী গাড়ি ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাত থেকেই এভিনিউ, জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। জানাজা থেকে দাফনকাজ পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।
ডিএমপি আরও জানিয়েছে, দেশের নাগরিকরা যাতে নির্বিঘ্নে খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে পারেন, তার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মানিক মিয়া এভিনিউ এবং আশপাশের সড়কগুলোতেও জনতার জন্য পর্যাপ্ত স্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিচের টেবিলটি জনতার আগমনের একটি সামগ্রিক ধারণা দেয়:
| সময়কাল | কার্যক্রম ও জনসমাগমের অবস্থা |
|---|---|
| সকাল ৮টা | দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ঢাকায় প্রবেশ শুরু |
| সকাল ১০টা | মানিক মিয়া এভিনিউতে জনতার উপস্থিতি তীব্র হচ্ছে |
| দুপুর ১২টা | এভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় হাজারো মানুষের ভিড় |
| দুপুর ২টা | জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার |
| বিকেল ৪টা | দাফন সম্পন্ন, জনতা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে |
এভাবে খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে মানুষ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশে উপস্থিত রয়েছে। দেশের সর্বস্তরের মানুষ এই মুহূর্তে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশ করছেন।



