বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের মুল্লা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটার কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে কী কারণে এই হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাপ হোসেনের স্থায়ী বাড়ি রামকৃষ্ণদী গ্রামে। তবে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে একই ইউনিয়নের দোসরপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করেন। তাঁর বাবা জয়নাল মিয়া গত পাঁচ বছর ধরে রামকৃষ্ণদী এলাকার একটি ইটভাটায় কাজ করছেন।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে দাদার সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে তওবা ও তার বাবা গোলাপ হোসেন হামলার শিকার হন। এ সময় শিশুটিকে হত্যা করে ইটভাটার পাশের একটি পরিত্যক্ত জমিতে তার মরদেহ ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একই ঘটনায় গোলাপ হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটির মরদেহ ঘটনাস্থলে পড়ে থাকার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ সেখানে যায়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটির ওপর এমন সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে হামলাকারী কারা, কী উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে এবং শিশুটির বাবার সঙ্গে হামলাকারীদের কোনো বিরোধ ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ ঘটনায় শিশুটির মৃত্যুর পাশাপাশি তার বাবার গুরুতর আহত হওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ, হামলাকারীদের পরিচয় এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে তদন্তের অগ্রগতি ও ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।


