পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কয়েকটি পোশাক কারখানার কয়েক শ শ্রমিক মিরপুর–১০ নম্বর গোলচত্বরে জড়ো হন। তাঁরা তাঁদের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিলে ওই পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
গুরুত্বপূর্ণ এই মোড় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় এলাকার স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হয়। কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা অন্যান্য গন্তব্যে যেতে ওই সড়ক ব্যবহারকারী মানুষের ভোগান্তি বাড়ে। তবে যানজটের বিস্তৃতি, কতগুলো সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল এবং কতক্ষণ এই পরিস্থিতি স্থায়ী হয়, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানান, ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা মিরপুর–১০ নম্বর এলাকার সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। পুলিশ তাঁদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
পোশাকশ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দেওয়ার বিষয়টি শ্রম খাতের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাসাভাড়া, যাতায়াত ও অন্যান্য দৈনন্দিন খরচ মেটাতে শ্রমিকদের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য থাকা জরুরি। এ কারণে বেতনসংক্রান্ত দাবি নিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রভাব কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি নগরীর যান চলাচলেও পড়তে পারে।
তবে মিরপুর–১০ নম্বরে বিক্ষোভরত শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আলোচনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সড়ক অবরোধের কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসনে পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। শ্রমিকেরা কখন সড়ক ছেড়ে দেবেন এবং এরপর যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে কি না, তা নির্ভর করছে পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতির ওপর।


