চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাকে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাকে গ্রেপ্তারের পর রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
তবে কী মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই মামলার অভিযোগ কী এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
মাহফুজুর রহমান মিতা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম-৩ আসন থেকে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মিতা একাদশ জাতীয় সংসদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।
সন্দ্বীপের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা মিতা জাতীয় সংসদে এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও ভূমিকা রেখেছেন। তবে বর্তমান সময়ে তার গ্রেপ্তারের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর গুলশান এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ও গ্রেপ্তারের খবর এসেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান মিতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনাটিও সেই সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে সেটির বিস্তারিত, গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
গ্রেপ্তারের পর মিতাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি না কিংবা আদালতে হাজির করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও মামলার নথি সামনে এলে মাহফুজুর রহমান মিতার গ্রেপ্তারের কারণ এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।


